পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও হল কমিটির সদস্যরা © টিডিসি ফটো
বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে মানুষ নিজের মত যুক্তির সাথে উপস্থাপন করা শেখে। শুধু তাই নয়, বিতর্ক চর্চা মানুষকে করে তোলে যুক্তিবাদী। আগামী ০১ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ নতুন কমিটি ও হল কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছে শেকৃবি ডিবেটিং সোসাইটি।
মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কমিটির তালিকা প্রকাশ করেন শেকৃবি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ।
নব নির্বাচিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কৃষি অনুষদের ফাইনাল বর্ষের শিক্ষার্থী নুর ইসলাম মাহমুদ, সহ-সভাপতি পদে আছেন সাইফ আল মাসুম, ফারজানা আফরোজ সুসমি ও জান্নাতুন নাঈম সোমা। সাধারণ সম্পাদক পদে কৃষি ব্যবসা ব্যবস্থাপনা অনুষদের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ আলম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে বশির শাহরিয়া বনি স্থান পেয়ে।
এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোজাহিদুল ইসলাম তুসার, শিক্ষা সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস, অর্থ সম্পাদক সূর্য ইসলাম, প্রচার সম্পাদক কাইয়ুম কাফি, কর্মশালা সম্পাদক ফাতেমা, তথ্য ও পাঠাগার সম্পাদক শাহেদ মাহমুদ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আবাসসুম আলী মাইসার নাম ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন: করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ।
এছাড়াও নতুন হল কমিটিতে যারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্থান পেয়েছেন তারা হলেন-
১। শেরেবাংলা হল
সভাপতি: মুজাহিদুল ইসলাম তুসার
সাধারণ সম্পাদক: রুহুল আমিন
২। কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল
সভাপতি: সুব্রত বিশ্বাস
সাধারণ সম্পাদক: কাইয়ুম কাফি
৩। নবাব সিরাজ উদ দৌলা হল
সভাপতি: মশিউর রহমান
সাধারণ সম্পাদক: শাহেদ মাহমুদ
৪। বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল
সভাপতি: ফারজানা আফরোজ
সাধারণ সম্পাদক: আবাসসুম আলী মাইশা
৫। কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হল
সভাপতি: ফাতেমা
সাধারণ সম্পাদক: হাবিবা সুলতানা
নতুন কমিটির সভাপতি নুর ইসলাম মাহমুদ বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ বন্ধের পর এই নতুন যাত্রার নির্দেশনার দ্বায়িত্ব পেয়ে আমি গর্বিত। আশা করি যারা আমার উপর আস্থা রেখে আমার পাশে ছিলেন তাদের আস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান রাখতে পারবো।
আরও পড়ুন: বাকৃবির সমাবর্তনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
শেকৃবি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘ নতুন কমিটি বিতর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবে, নতুন বিতার্কিক তৈরি ও ক্লাবের উন্নতি করবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞানে যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, বিতার্কিকরা যেহেতু বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা রাখে, তাই তাদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে সুবিধা হয়। বর্তমান যুগ মানেই প্রতিযোগিতার যুগ। তাই, আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করবো বির্তক ক্লাবের সাথে জড়িত থাকতে।তাছাড়া, সুন্দরভাবে গুছিয়ে কথা বলতে পারাটাও মানুষের একটি গুন। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের ক্লাবের বিতার্কিকরা তাদের বিতর্ক প্রতিভা কাজে লাগিয়ে ভবিষৎ জীবনেও ভালো করবে’।