রইলো বাকি শুধু মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা

৩১ মার্চ ২০২১, ০৬:১৮ PM

© ফাইল ফটো

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫২ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ৯ হাজার ৪৬ জন। বুধবার (৩১ মার্চ) একই সময়ে ৫ হাজার ৩৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে একদিনে আজ আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সর্বোচ্চ সংখ্যা। এদিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আর একদিন পর হতে যাচ্ছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার।

অথচ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ও রোগতত্ত্ববিদরা বর্তমান সময়কে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ বলে উল্লেখ করেছেন। তারা বলেছেন, বিগত ঢেউয়ের তুলনায় এবার সংক্রমণ বাড়ছে লাফিয়ে। করোনা অধিক শক্তি নিয়ে এসেছে যা চিন্তার বিষয়। প্রতিরোধ করতে সরকার ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। যার ফলে তিতাস গ্যাস কোম্পানির নিয়োগ পরীক্ষা, ৪০তম বিসিএসের চলমান মৌখিক পরীক্ষা, সিনিয়র স্টাফ নার্সের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

কিন্তু সেই নির্দেশনার পালনের পাশাপাশি সারাদেশে আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা। আসন্ন পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবসহ শঙ্কায় আছেন মেডিকেল পরীক্ষায় দায়িত্বরত কর্মকর্তারাও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের এক কর্মকর্তা বলেন, এখন পরীক্ষা নেওয়া শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আমাদের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। এতো পরীক্ষার্থী আসবে, সেখানে আমাদেরও যেতে হবে। সংক্রমণের ভয় তো স্বাভাবিকভাবেই থাকে। এই মুহূর্তে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টা উপরমহলের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

এদিকে কেন্দ্র পরিদর্শকের দায়িত্ব পাওয়া এক চিকিৎসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন সংক্রমণের যে ধারা, যাদেরকেই টেস্ট করতে পাঠাচ্ছি, তাদের প্রায় সকলেরই করোনা ধরা পড়ছে। অনেকে ভয়ে ডাক্তার দেখায় না। ফলে তাদের টেস্ট করতে পারছি না। তাদের বাইরেই আমাদের পাঁচ হাজারের ওপর সংক্রমণ। তাহলে সংক্রমণটা কতো ভয়াবহ ভাবাই যায় না। এই অবস্থায় একটা পাবলিক পরীক্ষা হলে ঝুঁকি বেড়ে যাবে কয়েক গুণ।

তিনি বলেন, সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এই মুহূর্তে বলা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই। এখন দিতে হবে অন্তত ১৪ দিনের পূর্ণ লকডাউন। অনেকটা কারফিউ জারির মতো। এই ১৪ দিনের মধ্যে যদি আমরা ভাইরাসকে একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে না দেই, তাহলে সর্বোচ্চ ক্ষতিটা হবে না। কিন্তু আমরা যদি এরকম বড় একটা পাবলিক পরীক্ষা নিতে যাই, তাহলে এটা বড় একটা ধাক্কার কারণ হবে।

এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইউসিজি অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, এই মুহূর্তে পরীক্ষা নেওয়া নীতিনির্ধারণী ব্যাপার। তারা চাইলে পুনরায় বিবেচনা করতে পারেন। যদি পরীক্ষা নিতেই হয়, তাহলে অবশ্যই কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নিতে হবে। নয়তো বড় একটা ঝুঁকি তৈরি হবে।

ট্যাগ: মেডিকেল
প্রথম ধাপে শেষ হল ৪০০ মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার সরকারের দুই মাসের কার্যক্রম তুলে ধরবে প্রধানমন্ত্রী …
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধে বৈশ্বিক মন্দার মাঝেও রমরমা ৫ ব্যাবসা
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
রক্তাক্ত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক সেবা না দিয়ে রামেকে রেফার, শ…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
‘অনভিজ্ঞ’ কিউইদের কাছেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শুধু পাঠ্যপুস্তকে লেখা বাকি, এক দফার ঘোষক তারেক রহমান: আসিফ
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬