প্রজ্ঞা এবং আত্মা যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে

‘৯০ ভাগ স্কুলের পাশে সিগারেট বিক্রি’

২৭ মে ২০১৮, ০৫:৪০ PM

বাংলাদেশে যত মানুষ হৃদরোগে মারা যান তার ৩০ শতাংশ তামাক ব্যবহারের কারণে। এ সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। তামাকের ব্যবহার কমাতে পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে কঠোর আইনের সঠিক বাস্তবায়নের পাশাপাশি সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি জানায় তামাকবিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)। তাছাড়া দেশে স্কুলের আশপাশের ৯০ শতাংশ দোকানে সিগারেটসহ বিভিন্ন তামাক ও তামাকজাত পণ্য বিক্রি করা হয় বলে জানায় এ সংগঠনটি।

রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার প্রদান এবং বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।  প্রজ্ঞা এবং এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ স্কুলের আশপাশের দোকানে সিগেরেটসহ তামাক ও তামাকজাত পণ্য বিক্রি বন্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানান এবং একই সঙ্গে আগামীতে পাঠ্যপুস্তকে আলাদাভাবে তামাকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হবে বলেও জানান।

তিনি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু আইন আছে। এই আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। ছেলেমেয়েদের সচেতন করতে হবে। তামাকের ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের হাতে যেসব পাঠ্যপুস্তক যাবে তাতে সিগেরেটসহ তামাকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে আলাদাভাবে লেখা থাকবে।

অনুষ্ঠানে ‘তামাক ও হৃদরোগ’ বিষয়ক এক উপস্থাপনায় প্রজ্ঞার কো-অর্ডিনেটর মো. হাসান শাহরিয়ার বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, তামাকজনিত মহামারি প্রতি বছর বিশ্বের ৭০ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। পরোক্ষ ধূমপানে মারা যায় ৯ লাখ মানুষ।

গবেষণার তথ্য-উপাত্ত দেখিয়ে বলা হয়, অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ, স্টোকের ঝুঁকি তিনগুণ, বুকে ব্যথা ঝুঁকি ২০ গুণ। দিনে একটি করে সিগেরেট খেলেও হৃদরোগের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। দেশেরও এ সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

বিশিষ্ট সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, এন্টি-টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্সের আহবায়ক মর্তুজা হায়দার লিটন এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত পাঁচজন সাংবাদিকের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও চেক তুলে দেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ’প্রজ্ঞা তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার’ ২০১৮ বিজয়ীরা হলেন: সেরা জাতীয় প্রিন্ট/অনলাইন মিডিয়া বিভাগে দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বিশেষ প্রতিনিধি দৌলত আক্তার মালা, কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার আবুল কাশেম, সেরা টিভি রিপোর্টে এনটিভি’র এস এম আতিক, সেরা স্থানীয় পত্রিকা রিপোর্টে দৈনিক সিলেটের ডাক-এর চীফ রিপোর্টার সিরাজুল ইসলাম এবং বিশেষ বিভাগে গোলাম মর্তুজা জুয়েল।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় জামায়াতের আমিরের ক্ষোভ
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে প্রধানমন্…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে মুয়াজের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে থা…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
এনসিপিতে শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান, আছেন মুক্তিযোদ্ধা ও জুলা…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ল
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষাদর্শন
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬