হোন্ডা ফাউন্ডেশন নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ইউজিসি চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাৎ করেন
বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড (বিএইচএল) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যায়নরত তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের (ইয়েস এওয়ার্ড) বৃত্তি প্রদানের পরিকল্পনা করছে।
হোন্ডা ফাউন্ডেশন বিএইচএল- এর মাধ্যমে বাংলাদেশে শ্রেষ্ঠ তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের ইকোটেকনোলজিতে উৎসাহ ও উদ্ভাবনে সহায়তা প্রদানের জন্য ইয়েস এওয়ার্ডের আয়োজন করছে।
রবিবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা প্রকাশ করে।
হোন্ডা ফাউন্ডেশন নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. অটসুসি সুনামি এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ইউজিসি চেয়ারম্যানের সাথে এ লক্ষ্যে সাক্ষাৎ করেন।
প্রফেসর অটসুসি বলেন, স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অসামান্য একাডেমিক ফলাফলের স্বীকৃতির জন্য হোন্ডা ফাউন্ডেশন এই বৃত্তি প্রদান করবে। বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে ইউজিসিকে সহায়তা করবে। "প্রতিটি ইয়েস এওয়ার্ডের মূল্য হবে ৩০০০ ইউএস ডলার। এছাড়া, হোন্ডা ফাউন্ডেশন ইয়েস এওয়ার্ড বিজয়ী শিক্ষার্থীদেরকে জাপানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের অনেক মানসম্পন্ন তরুণ প্রকৌশল স্নাতক রয়েছে। তারা এখান থেকে বেশ উপকৃত হবে এবং জাপান থেকে ইকোটেকনোলোজি ও অটোমোবাইলে বিষয়ে অনেক কিছু শিখতে পারবে।
সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা, প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. এম শাহ্ নওজ আলি; আইসিসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম, আইএমসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়া এবং ইউজিসি প্রশাসনের বিভাগের উপসচিব মোঃ শাহীন সিরাজ উপস্থিত ছিলেন।
হোন্ডা মটর কোম্পানি ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বরে হোন্ডা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে। ২০০৬ সালে হোন্ডা ফাউন্ডেশন ইয়েস এওয়ার্ড প্রচলন করে। বর্তমানে ভিয়েতনাম, ভারত, মায়ানমার, কম্বোডিয়া ও এবং লাওসে ইয়েস এওয়ার্ড দেওয়া হয়।