১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনবে ভারত

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৩ PM
রাফায়েল যুদ্ধবিমান

রাফায়েল যুদ্ধবিমান © সংগৃহীত

ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ১১৪টি ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির বিমানবাহিনী। ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি রুপির এই বিশাল চুক্তিটি অনুমোদিত হলে এটিই হবে ভারতের ইতিহাসের বৃহত্তম অস্ত্র ক্রয় চুক্তি। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর দিল্লি সফরের ঠিক আগেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিতে পারে বলে আজ সকালে এনডিটিভিকে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এই চুক্তির একটি বিশেষ দিক হলো, ১১৪টি বিমানের মধ্যে প্রায় ১০০টি রাফাল ভারতেই তৈরি করা হবে। এর ফলে আধুনিক যুদ্ধবিমান তৈরির উচ্চমানের প্রযুক্তি ভারতের হাতে আসবে এবং মোদী সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি এক শক্তিশালী ভিত্তি পাবে। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ফ্রান্সের বাইরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রাফাল ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে ভারতের অবস্থান আরও সুসংহত হবে। দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট বহুমুখী এই যুদ্ধবিমানটি আকাশে আধিপত্য বিস্তার এবং নিখুঁত হামলার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।

বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান রয়েছে, যার শেষ বিমানটি তারা গ্রহণ করেছে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। এর পাশাপাশি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ৬৩ হাজার কোটি রুপি ব্যয়ে আরও ২৬টি রাফাল 'এম' ভ্যারিয়েন্ট কেনার কাজ প্রক্রিয়াধীন। নৌবাহিনীর এই চুক্তির আওতায় চারটি প্রশিক্ষণ বিমানসহ রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবল প্রশিক্ষণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এই বিমানগুলো আইএনএস বিক্রান্ত ও আইএনএস বিক্রমাদিত্যের মতো যুদ্ধজাহাজে মোতায়েন করা হবে। বর্তমানে ভারতের হাতে থাকা রাফালগুলো আম্বালার ‘গোল্ডেন অ্যারোজ’ এবং পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারার ‘ফ্যালকনস’ নামক দুটি স্কোয়াড্রনে বিভক্ত।

ভারতের এই রাফাল বহর ইতিমধ্যে তাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। গত বছরের মে মাসে পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জবাবে ‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং লাদাখ সীমান্তে এগুলো মোতায়েন ছিল। এছাড়া ইরাক ও লিবিয়ার যুদ্ধেও রাফালের সফল ব্যবহারের নজির রয়েছে। অত্যাধুনিক মিটিওর ক্ষেপণাস্ত্র, হ্যামার স্ট্রাইক সিস্টেম এবং ‘স্পেকট্রা’ নামক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই বিমানটি যেকোনো শত্রুপক্ষের জন্য অত্যন্ত ভীতি জাগানিয়া।

রাফাল উৎপাদনের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সামলাতে ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন এবং ভারতের টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেডের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তরের চুক্তি হয়েছে। এর অধীনে হায়দরাবাদে একটি উন্নত কারখানা স্থাপন করা হবে, যেখানে ২০২৮ সাল থেকে রাফালের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত অংশগুলো তৈরি শুরু হবে। এই কারখানায় প্রতি মাসে দুটি করে ফিউজিলাজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যদিও বিমানের চূড়ান্ত সংযোজন হবে ফ্রান্সের মারিনিয়াক কেন্দ্রে। পাশাপাশি ভারত নিজস্ব প্রযুক্তিতে পঞ্চম প্রজন্মের ‘টুইন ইঞ্জিন ডেক-বেসড’ যুদ্ধবিমান তৈরিরও পরিকল্পনা করছে, যা ভবিষ্যতে নৌবাহিনীর শক্তি আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে গণ বিশ্ববিদ্যালয়, আবেদন ২০ জু…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, স্থানীয়দের বাধায় কাজ বন্ধ
  • ১১ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে যা বলছে সুপার কম্পিউটার
  • ১১ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে জাপান গেল জাতীয় গণিত …
  • ১১ জুলাই ২০২৬
দেশে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
  • ১১ জুলাই ২০২৬
হামে মৃত শিশুদের ৭১ শতাংশেরই মেলেনি আইসিইউ, হাসপাতালে হাসপা…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence