পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষে নিহত ১২৫

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪০ AM
সন্ত্রাসী হামলার পর নিরাপত্তা কর্মীরা বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করছেন

সন্ত্রাসী হামলার পর নিরাপত্তা কর্মীরা বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করছেন © সংগৃহীত

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলা ও হামলার পর পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীসহ মোট ১২৫ জন নিহত হয়েছেন।

প্রথমে বিছিন্নতাবাদীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ১৫ সদস্য ও ১৮ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর অভাবে সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ৯২ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।

পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানিয়েছে, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভারতের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সমন্বিত হামলার পর বেলুচিস্তানে পরিচালিত ক্লিয়ারেন্স অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১৫ জন নিরাপত্তা সদস্য শহীদ হয়েছেন।

এদিকে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি-বিএলএ বেলুচিস্তানজুড়ে হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অর্ধশতাধিক সদস্যকে হত্যার দাবি করেছে তারা।

এক বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ভারত সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা ৩১ জানুয়ারি কোয়েটা, মাসতুং, নুশকি, দলবন্দিন, খারান, পানজগুর, তুম্প, গ্বাদর ও পাসনি এলাকায় একযোগে একাধিক হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ১৮ জন নিরীহ বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে হত্যা করে।

আইএসপিআর জানায়, বেলুচিস্তানের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই গোয়াদার ও খারানে সাধারণ মানুষের ওপর এমন হামলা চালানো হয়েছে। এর পর নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সারা প্রদেশে ব্যাপক ক্লিয়ারেন্স অভিযান শুরু করে। এতে তিনজন আত্মঘাতী হামলাকারীসহ মোট ৯২ জন ভারত সমর্থিত সন্ত্রাসী নিহত হয়।

আইএসপিআর আরও জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী অসাধারণ সাহসিকতা ও পেশাদার দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের এ নাশকতার চেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করেছে।

এদিকে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় কয়েকটি জেলার সরকারি হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির স্বাস্থ্য দফতর।

এছাড়া সন্ত্রাসী তৎপরতায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে করেছেন রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এছাড়াও সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছেন শেহবাজ।

ফাইবার না প্রোটিন—সুস্থ থাকতে কোনটিকে বেশি গুরুত্ব দেবেন?
  • ১৮ জুন ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ম্যাথ ল্যাব’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়…
  • ১৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনা ও জেন-জি’র সমর্থন: আবেগ, ইতিহাস ও…
  • ১৮ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তির পরই রাশিয়া থেকে ২০হেলি…
  • ১৮ জুন ২০২৬
ডিমলায় এনসিপির আহ্বায়ক শাহ আজিজুর রহমান সদস্য সচিব রাশেদ ইস…
  • ১৮ জুন ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা মামলা: ১২৭ বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে…
  • ১৮ জুন ২০২৬