পশ্চিমবঙ্গে গুদামে আগুন লেগে ২৮ জনের মৃত্যু

৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৫ AM
পশ্চিমবঙ্গে গুদামে আগুন লেগে ২৮ জনের মৃত্যু

পশ্চিমবঙ্গে গুদামে আগুন লেগে ২৮ জনের মৃত্যু © সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলী আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পাশাপাশি দুটি গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত ২৫ জানুয়ারি (রবিবার) আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি গুদামে আগুন লাগে। এর একটি ছিল ডেকোরেটরসের গুদাম এবং অন্যটি মোমো ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানা। আগুন লাগার সময় ডেকোরেটরসের গুদামের কর্মীরা সেখানে পিকনিক করছিলেন, আর মোমো কারখানায় চলছিল নিয়মিত কাজ। ওই গুদামে বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে অভিযোগ ওঠে, মোমো কারখানা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে মোমো কারখানার মালিকপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, পাশের ডেকোরেটরসের গুদাম থেকেই আগুন ছড়ায়।

আনন্দপুর এলাকা কলকাতার কাছাকাছি হলেও প্রশাসনিকভাবে এটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমার অন্তর্গত। বারুইপুরের পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার শুক্রবার সন্ধ্যায় জানান, ঘটনার সময় গুদাম দুটিতে ঠিক কতজন মানুষ ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। উদ্ধার হওয়া দগ্ধ মরদেহ ও দেহাংশ দেখে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত যাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আগুন লাগার সময় গুদাম দুটিতে মোট কতজন ছিলেন, সে তথ্যও স্পষ্ট নয়। ফলে সামনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পাশাপাশি গুদাম দুটিতে আদৌ কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কি না—সে প্রশ্নও উঠেছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) রণবীর কুমার জানান, এই দুটি গুদামকে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে কখনোই কোনো অনুমোদন বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে গুদাম দুটি চালু ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর গুদাম দুটির মালিক গঙ্গাধর দাস আত্মগোপনে চলে যান। পরে মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর গঙ্গাধর দাস দাবি করেন, মোমো কারখানা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তার বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি এলাকায়। তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে ডেকোরেটরস ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গভীর শোক প্রকাশ করেছে। রাজ্য সরকার নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার রুপি সহায়তা দেওয়া হবে।

২০১০ সালের পর স্পেনের প্রথম নকআউট ম্যাচ জয়
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
দারুণ জয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
শেষদিকে আবারও ওইয়ারসাবাল, স্পেনের তৃতীয়
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
পোরোর হেডে স্পেনের দ্বিতীয় গোল
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
স্পেনের দাপটে শেষ প্রথমার্ধ
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
বায়েনার ফ্রি-কিকে কাঁপল ক্রসবার, ইয়ামালের শট রুখে দিলেন শ্ল…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence