ঢাবিতে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা-১০’ ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন

৩০ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:১২ PM
‘Bangabandhu’s Speeches : Domestic and Global Perspectives’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।

‘Bangabandhu’s Speeches : Domestic and Global Perspectives’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর দেয়া ভাষণের উপর ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা-১০’ ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বরে) দিবাগত রাতে ‘Bangabandhu’s Speeches : Domestic and Global Perspectives’ শীর্ষক ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা-১০’ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত হয়।

এই বক্তৃতামালা যৌথভাবে আয়োজন করে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস এন্ড লিবার্টি (বিএসএমআরআইপিএল)’ এবং ‘সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (কারাস)’। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএসএমআরআইপিএল’র রিসার্চ ফেলো হাসান নিটোল। 

আরও পড়ুন: বয়স ১২ হলেই পাবে টিকা

অনুষ্ঠানে বিএসএমআরআইপিএল’র পরিচালক ও ইউজিসি অধ্যাপক ড. ফকরুল আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন কারাসের পরিচালক ও ঢাবি কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদলু বাছির, কারাসের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাবি বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান এবং ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রশিদ আসকারী।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ফকরুল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যগুলো আমাদের জন্য একটা অমূল্য সম্পদ। তার ভাষণগুলো নিয়ে অনেক গবেষণার সুযোগ রয়েছে। এসময় তিনি অনুবাদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো বৈশ্বিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আতিউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে চিনতে ও জানতে হলে তার ভাষণের প্রতিটি লাইন পড়তে হবে। তার ভাষণ হৃদয় দিয়ে অনভুব করলে তাকে চেনা যাবে। বঙ্গবন্ধু তার জীবদ্দশায় লিখিত বক্তব্য খুব কম দিয়েছেন। কিছু বক্তব্য ছাড়া তার বেশিরভাগ বক্তব্যই তিনি মন থেকে দিয়েছেন। যার কারণে তার ভাষণ ছিলো প্রাণবন্ত। তার ভাষণগুলো ছিলো মানুষেরই কণ্ঠস্বর। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সময়ে দেওয়া ভাষণের কথা উল্লেখ করে সেগুলোর বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: কাল দেওয়া হবে ৩৬ হাজার শিক্ষককের নিয়োগপত্র

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক আহসানুজ্জামান বঙ্গবন্ধুর ভাষণের দেশীয় প্রেক্ষাপট আলোচনা করেন। এসময়, তিনি এদেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে এবং ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধু তার ভাষণের মাধ্যমে এদেশের মানুষকে মুক্তির বার্তা দিয়েছিলেন।

অধ্যাপক রশিদ আসকারী বঙ্গবন্ধুর ভাষণের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলোর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অসামান্য শক্তি। বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বুঝতে পারা যায়। তার বক্তব্যের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের মুক্তির বার্তা। এজন্যেই বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির কবি’ বলা হয়। তার বক্তব্য এখন বৈশ্বিক সম্পদ। মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তার রাজনীতির মূল শক্তি। এটিই তাকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বের দরবারে উচ্চ স্থানে আসীন করেছে। এসময় তিনি ১৯৭০ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর গুরুত্বপূর্ণ চারটি ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

আমরা কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছি, নাকি অমূলক ভয়?
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ, প্রশ্ন দেখুন এখানে 
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
এসির তাপমাত্রা কত রাখা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
‘শেষ আশা’ গুচ্ছ: সন্তানের জন্য অভিভাবকদের নীরব যুদ্ধ
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
তারুণ্যের মনস্তত্ত্বে একটি দার্শনিক ও আইনি পর্যালোচনা
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬