বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারছেন না উপাচার্যরা

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৬ PM
উপাচার্যরা এখনও বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে সরকারের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি

উপাচার্যরা এখনও বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে সরকারের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি © ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খোলার তারিখ আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেছে সরকার। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে এদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খুলে দিতে পারবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তবে উপাচার্যরা এখনও বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে সরকারের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি। এ বিষয়ে শিগগিরই শিক্ষামন্ত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকের পর বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেছেন, তারা সরকারের যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু পুনরায় ক্লাস শুরু হওয়ার আগে প্রস্তুতির জন্য অন্তত এক সপ্তাহ সময় দরকার।

আবার কোন কোন উপাচার্য বলছেন, প্রাথমিক তারিখ তাদের সমস্যায় ফেলতে পারে। কারণ সরকার আগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ঢাবির স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য শর্তসাপেক্ষে আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে যে সিদ্ধান্ত প্রভোস্ট কমিটির সভায় নেওয়া হয়েছিলো, সে রোডম্যাপ অনুযায়ী খোলা হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

ঢাবি উপাচায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে আমরা একটা রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলাম। সে রোডম্যাপ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলা হবে। এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাম্পাস খোলার আগে আমাদের এক সপ্তাহের প্রস্তুতি গ্রহণের সময় লাগবে। যেহেতু অক্টোবরের মাঝামাঝি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সময় নির্ধারিত ছিল তাই এই তারিখটি মাথায় রেখেই টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল। তাই আমাদের এই বিষয়টিও পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার জানান, ইতোমধ্যে তাদের ৫০% শিক্ষার্থী ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছে। যদি আমাদের পরিকল্পিত সময়ের আগে ক্যাম্পাস পুনরায় চালু করার প্রয়োজন হয় তবে আমাদের প্রথমে একাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার বলেন, আমরা চাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে। কিন্তু স্কুল-কলেজের মতো হঠাৎ করেই তো খুলতে পারবো না। আমাদের হল খুলতে হবে, শিক্ষার্থীদের টিকাগুলো নিশ্চিত করতে হবে। এ পর্যায়গুলো আগে পেরিয়ে আসতে হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক বলেন, কর্তৃপক্ষরা আসলে এভাবেই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। কিন্তু এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হয় আমাদের। আমাদের সবকিছু চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। জবি অনাবাসিক হলেও আমরা শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছি। একইসঙ্গে আমরা পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করছি।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক মো. রফিকুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পিরোজপুরে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক পাখা খুলে দুই শিক্ষার্থী …
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাবিতে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সাফ জয়ী দলে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন সরেন
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
আগে নেওয়া থাকলেও নিতে হবে আবার, হামের টিকা নিয়ে যা জানা জরু…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
নববর্ষে ‘মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ’ শোভাযাত্রা নয়, এবার হবে ‘বৈশাখী’…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের এক উপজেলাকে হামের ‘রেড জোন’ ঘোষণা সরকারের
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬