যেদিন দেশের শিরোনাম ছিলো জাহাঙ্গীরনগর

০৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮:২২ PM
জাবিতে তৎকালীন আন্দোলন

জাবিতে তৎকালীন আন্দোলন © ফাইল ফটো

৫ নভেম্বর। উত্তাল হয়েছিলো জাহাঙ্গীরনগর। হয়েছিলো দেশের সকল গণমাধ্যমের প্রধান শিরোনাম। যেটি গৌরবের কারণ না হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো আফসোসের বিষয়। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর মনে তরঙ্গায়িত হয় সত্য-অসত্যের লড়াই। প্রাক্তনরা হয় আবেগে-আপ্লুত। কি হচ্ছে তাদের প্রাণপ্রিয় ক্যাম্পাসে।

সকলের জিজ্ঞাসু দৃষ্টি ছিলো উপাচার্য কি বলেন সেদিকে। তিনি বললেন গণঅভ্যুত্থাণ হয়েছে, এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ‘পোটলা-পুটলি’ নিয়ে বের হলেন হল থেকে। আন্দোলনকারীরা হামলার শিকার হয়ে আবারো চেষ্টা করলেন সংগঠিত হতে। কিন্তু দমে গেলো আন্দোলনের গতি। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হলো স্ফুলিঙ্গ। পরেরদিন দেশের সকল জাতীয় দৈনিকের প্রধান শিরোনাম হলো জাহাঙ্গীরনগর।

সেদিনের বিষয়ে ছাত্রলীগের মিছিলে উপস্থিত ছিলো এমন অনেক নেতা-কর্মী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, ‘আমাদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধারণা ছিলো না আমাদের মিছিলের পরিণতি কি হতে যাচ্ছে। তাই আমাদের ছাত্রনেতাদের নির্দেশনা অনুসরণ করাই ঠিক মনে করেছিলাম। কিন্তু বর্তমানে জাবি ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের ছন্নছড়া দশার জন্য সেদিনের অনাহুত পরিস্থিতিই দায়ী এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।’

এব্যাপারে আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘আমাদের কল্পনাতেও ছিলো না যে আমরা এরকম একটি বর্বর হামলার শিকার হতে পারি। যেখানে শিক্ষকদের একটি অংশের সমর্থন ছিলো। কিন্তু সবকিছুকে অবাক করে দিয়ে শিক্ষার্থী নামের কিছু কুলাঙ্গার শিক্ষকদেরও হামলা করে। এবং একটি নৈতিক আন্দোলনকে ধ্বংস করে তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের ক্রেডিট নেয়।’

ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিকরা স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘দিনটি সাংবাদিকদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করলেও অনেক কিছুই শেখার ছিলো। জাতীয় দৈনিক গুলোতে প্রধান খবর পাঠানোর গুরুদায়িত্ব অনেক কিছু শিখিয়েছে।’

দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিঃ

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (একনেক) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১৪৪৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন।

১লা মে, ২০১৯: প্রায় ৪০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরে প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৬ টি ১০ তলা হল নির্মাণের টেন্ডার আহ্বান।

২৩শে মে, ২০১৯: ইউনাইটেড কনস্ট্রাকশন কোম্পানির টেন্ডার ছিনতাই করে ক্যাম্পাসের ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ।

২৬শে মে, ২০১৯: মাজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের রাজধানী কার্যালয় থেকে ছাত্রলীগ জোরপূর্বক টেন্ডারের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। এবং ইউনাইটেড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের পরিচালক উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুদক বরাবর অভিযোগপত্রের অনুলিপি প্রদান করেন।

৩০শে জুন, ২০১৯: উপাচার্য ৫ টি হলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন।

৮ জুলাই, ২০১৯: অপরিকল্পিতভাবে হল নির্মাণের প্রতিবাদে বিশ্বকবি রবীন্দধনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীদের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান। একই দিনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চ ৭ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও উপাচার্যকে স্মারকলিপি প্রদান করে।

১৭ জুলাই, ২০১৯: শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চের দাবির প্রেক্ষিতে সিনেট হলে ‘মাস্টারপ্ল্যান’ প্রদর্শন। ৩ মাস কাজ স্থগিত রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাসের আহবান। উপাচার্য সেই আহবান প্রত্যাখান করেন।

৩ আগস্ট, ২০১৯: টারজান পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় গাছকাটা শুরু। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে কাজ বন্ধ।

৫ আগস্ট, ২০১৯: গাছ কর্তন কমিটির সভাপতির সাথে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চের সাক্ষাৎ। ঈদের ছুটিতে রবীন্দধনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন এলাকার গাছ না কাটার অনুরোধ। গাছ কর্তন কমিটির সভাপতির উপস্থিতিতে হল স্থান্তরিত সম্ভব বলে প্রকল্প পরিচালকের অভিমত প্রদান।

২৩শে আগস্ট, ২০১৯: বিশ্বকবি রবীন্দধনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন এলাকায় গাছ কাটা শুরু। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চের বাঁধা প্রদান ও বিক্ষোভ মিছিল। জাতীয় দৈনিকে ঈদের ছুটির মধ্যে ৯ই আগস্ট শাখা ছাত্রলীগের ৩টি পক্ষ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে ২ কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে দেয়ার খবর প্রকাশ।

২৫শে আগস্ট, ২০১৯: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর নামে আন্দোলনকারীদের নতুন ব্যানারের আত্মপ্রকাশ।

২৮শে অগাস্ট, ২০১৯: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের মশাল মিছিলে অংশ নেয়াই জুনিয়র শিক্ষার্থীর ওপর গণরুমে নির্যাতনের অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

৩-৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: ৩ দফা দাবিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের এর প্রশাসনিক ভবন অবরোধ।

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: উপাচার্যের সাথে আলোচনায় বসতে আন্দোলনকারীদের সম্মতি ।

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: উপাচার্যের সাথে আলোচনার নির্ধারিত দিনে আন্দোলনের

১ জন সংগঠকের উপর ছাত্রলীগ নেতার হামলা। হামলাকারীর বিচার দাবি, আলোচনা স্থগিত।

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: আন্দোলনকারীদের উপর ছাত্রলীগ নেতার হামলার প্রতিবাদে একাংশ শিক্ষকদের কর্মবিরতি পালন।

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: উপাচার্যের সাথে প্রথম দফা বৈঠকে ২ টি দাবি মেনে নেন উপাচার্য। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন স্থানে নির্মিতব্য দুইটি হল স্থানান্তর ও মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাসে উপাচার্যের সম্মতি প্রদান। বিচার বিভাগীয় তদন্তের ব্যাপারে আইনি পরামর্শ নিতে ৩ কার্যদিবস সময় নেন উপাচার্য।

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: জাতীয় দৈনিক যুগান্তর ও ঢাকা ট্রিবিউনে প্রকাশিত উপাচার্যের সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর কাছে উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দের ৪-৬ শতাংশ দাবি করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা চিঠিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী দাবি করেন, উপাচার্য জাবি ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ভাগ করে দিয়েছেন। এছাড়াও ঠিকাদার নিয়োগে উপাচার্যের স্বামী ও সন্তান কমিশন বাণিজ্য করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। উপাচার্য অস্বীকার করেন।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: গোলাম রাব্বানীর সাথে জাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের ফাঁস হওয়া ফোনালাপে উপাচার্যের শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি টাকা ভাগ করে দেয়ার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: জাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নিয়ামুল হাসান তাজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন গণমাধ্যমে অর্থপ্রাপ্তির ঘটনা স্বীকার করেন। তাঁরা আরও জানান টাকা ভাগ-বাটোয়ারার মিটিং-এ স্বয়ং উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দাবি করেন ৯ ও ১০ আগস্টের উপাচার্য ও তাঁর পুত্রের ফোনকল রেকর্ড শুনলেই এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯: উপাচার্যের সাথে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে প্রকাশিত সংবাদ ও অভিযোগসমূহের ব্যাপারে যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন তিনি। একই সাথে দুর্নীতির তদন্তের উদ্যেগ নেয়ার ব্যাপারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে অপারগতা প্রকাশ করেন। নৈতিক স্ফলন ও তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে উপাচার্যকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্যকে পদত্যাগের জন্য ১লা অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন ভবনে উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

২২শে সেপ্টেম্বর - ০১ অক্টোবর, ২০১৯ঃ ভর্তিপরীক্ষা চলাকালীন সময়ে উপাচার্যকে কালো পতাকা প্রদর্শন। পদত্যাগের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর লাল কার্ড দেখিয়ে উপাচার্যকে অপসারণের দাবি জানানো হয়।

২ থেকে ৩ অক্টোবর, ২০১৯: উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে সর্বাত্মক ধর্মঘট

পালিত হয়।

১০ অক্টোবর, ২০১৯: ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের আদ্যোপান্ত বর্ণনা করে উপাচার্যের অপসারণের দাি তে পুনরায় ব্যক্ত করা হয়।

৩ অক্টোবর, ২০১৯: উপাচার্যের অপসারণ ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত দাবি

করে মহামান্য আচার্যের কাছে চিঠি প্রেরণ।

৪ অক্টোবর, ২০১৯: সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেছেন যে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত কমিটি করার মতো কোন অবস্থা আছে বলে তিনি মনে করেন না।

১৫ অক্টোবর, ২০১৯: ক্যাম্পাসে পদযাত্রা ও সমাবেশ।

২০শে অক্টোবর, ২০১৯: বিক্ষোভ মিছিল ও উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়।

২৩শে অক্টোবর, ২০১৯: উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে মশাল মিছিল।

২৪শে অক্টোবর, ২০১৯: উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে লাগাতার প্রশাসনিক ভবন অবরোধ শুরু।

২৮শে অক্টোবর, ২০১৯: উপাচার্যের অপসারণ হওয়ার আগ পর্যন্ত লাগাতার সর্বাত্মক ধর্মঘট শুরু।

৩০শে অক্টোবর, ২০১৯: ধর্মঘট চলাকালীন নারী শিক্ষার্থীসহ দুইজন আন্দোলনকারীর উপর সহকারী প্রক্টরের হামলা। উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে সংহতি কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়।

১লা নভেম্বর, ২০১৯: সহকারী প্রক্টরের উপর হামলার কল্পিত অভিযোগে ৫০ জন অজ্ঞাতনামা আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মামলা।

৪ নভেম্বর, ২০১৯: অবিলম্বে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের ফেসবুক পেইজ ও আন্দোলনের সংগঠকদের ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়।

৫ নভেম্বর, ২০১৯: অবস্থান গ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে উপাচাযপন্থী শিক্ষকদের বাকবিতন্ডা। আন্দোলনকারীদের উপর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রলীগের একাংশের হামলা। প্রায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী আহত। হামলাকে উপাচার্যের গণঅভ্যুত্থাণ বলে আখ্যা প্রদান। হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের পাল্টা প্রতিবাদী মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে পুনরায় অবস্থান জরুরি সিন্ডিকেটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ভ্যাকেন্টের ঘোষণা। শিক্ষার্থীদের হল ভ্যাকেন্টের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান, হলের তালা ভেঙ্গে মিছিলে যোগদান। রাতে শিক্ষার্থীদের হলে অবস্থান।

৬ নভেম্বর, ২০১৯: হামলার প্রতিবাদে ও উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে সংহতি সমাবেশ। প্রভোস্ট কমিটির মিটিংয়ে দফায় দফায় হল ছাড়ার জন্য হুঁশিয়ারি দিয়ে সময় নির্ধারণ। শিক্ষার্থীদেরকে হুমকি প্রদান, দুর্ব্যবহার করে জোরপূর্বক হল ছাড়তে বাধ্য করে হল প্রশাসন।

৭ নভেম্বর, ২০১৯: উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আনপ্লাগড কনসার্টে গান গেয়ে আন্দোলনে সংহতি জানান শিল্পীরা।

৮ নভেম্বর, ২০১৯: অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ভ্যাকেন্টের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপাচার্যের দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত প্রদান।

১০ নভেম্বর, ২০১৯: আন্দোলনকারী ১২ ছাত্রনেতার বাড়িতে পুলিশ গিয়ে আন্দোলন থেকে বিরত থাকতে হুমকি প্রদান করে।

১২ নভেম্বর, ২০১৯: হামলার ইন্ধনদাতা উপাচার্যকে অপসারণ ও তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতি ও নৈতিক স্ফলনের দায়ে অভিযুক্ত উপাচার্যকে রাষ্ট্রীয় আইনে বিচারের দাবিতে পটচিত্র প্রদর্শনী ও সংহতি সমাবেশ। সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

১৩ নভেম্বর, ২০১৯: বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নারী নেত্রীদের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে আলোচনার স্ক্রীনশট ফাঁস।

২৩শে নভেম্বর, ২০১৯: হামলার বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ। ৩ দফা দাবি ঘোষণা।

২৫শে নভেম্বর, ২০১৯: উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশের ঘোষণা।

২৭শে নভেম্বর, ২০১৯: হল খুলে দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ ৩ দফা

দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯: শিক্ষার্থীদের প্রবল চাপের মুখে জরুরি সিন্ডেকেটে ৫ তারিখ হল খোলা ও ৮ তারিখ থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চকরিয়ায় ১৩০ কেন্দ্রে অনলাইন ক্…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য চলাকালে ভেঙে পড়ল মঞ্চ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই ইনসাফ : সাদিক কায়েম
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দায়িত্বশীল শিক্ষকতাই মানসম্মত উচ্চশিক্ষার ভিত্তি: বাউবি উপা…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনে নিয়োগের ফল প্রক…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাবিপ্রবিতে বাঁধনের সাধারণ সম্পাদক হলেন ছাত্রলীগ নেতা ফাতিক
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬