ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ ও এজিএস মো. মহিউদ্দিন খান © সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি-জিএস ও এজিএসের জন্য বরাদ্দ দেওয়া টাকা থেকে কোনো টাকা নেননি বলে জানিয়েছেন ডাকসু সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম ও এসএম ফরহাদ নেতৃত্বাধীন এই ডাকসুর মেয়াদ শেষ হয়েছে জানিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক বছর মেয়াদ পূর্তি উপলক্ষে ডাকসু ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, অডিট রিপোর্ট গঠন করে দেওয়া হয়েছে। সেই অডিট রিপোর্ট আপনাদের কাছে পেশ করা হবে। আমরা ডাকসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর ফাইন্যান্সিয়াল ট্রান্সপারেন্সি শতভাগ নিশ্চিত করেছি। ডাকসুর ভিপি, জিএস, এজিএস— আমরা কেউই ডাকসু থেকে একটি পয়সাও গ্রহণ করিনি। আমাদের অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি জিরো। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের যে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, সেই সুবিধাও আমরা গ্রহণ করিনি।
তিনি বলেন, আমাদের কার্যনির্বাহী সদস্যরাও পুরো আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করেছেন। অডিটের মাধ্যমে সেই রিপোর্ট দেওয়া হবে। আমরা দেখিয়েছি কীভাবে ফাইন্যান্সিয়াল ট্রান্সপারেন্সি নিশ্চিত করতে হয়।
ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে সাদিক কায়েম বলেন, আপনারা জানেন, গণতান্ত্রিকভাবে আমাদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা সে সময় ক্ষমতায় থাকতে চাই না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রূপরেখা ও তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এই ক্যাম্পাসে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা এখানে কেউ ক্ষমতার চেয়ার আঁকড়ে বসে থাকতে চাই না।
এ বিষয়ে ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের জন্য যে বরাদ্দ ছিল, তা আমরা গ্রহণ করিনি। আমরা জন্য দেয়া বরাদ্দ আমরা নাকচ করেছি। চাইলে আমরা নিতে পারতাম, নিইনি।’
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাদিক-ফরহাদ নেতৃত্বাধীন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টিতেই বিজয় অর্জন করে। গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) এই নির্বাচনের বর্ষপূর্তি ছিল। তবে ডাকসু নেতারা শপথ নেন ১৪ সেপ্টেম্বর।