ঢাবি উপাচার্য

জুলাইয়ের গ্রাফিতি পতিত সরকারের দুঃশাসনের স্মৃতিচিহ্ন বহন করছে

০১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ PM
ঢাবিতে জুলাই গ্রাফিতি পুনর্লিখন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম

ঢাবিতে জুলাই গ্রাফিতি পুনর্লিখন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়ালে অঙ্কিত জুলাই-গ্রাফিতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে পুনরায় রংকরণ, পুনর্লিখন কার্যক্রম আজ শনিবার (১ আগস্ট) শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আজ  সকালে উপাচার্যের বাসভবনের প্রধান ফটকে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। 

এ সময় উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাইয়ের গ্রাফিতিগুলো পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দুঃশাসনের স্মৃতি চিহ্ন বহন করছে। জনমনে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখতে গ্রাফিতিগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ভয়াল দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সেময় দেশের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। তাদের কন্ঠকে স্তব্ধ করতে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসক সাধারণ মানুষের উপর ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছিল। এই অন্যায় ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানুষ সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে রাজপথে অবস্থান নিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে শামিল হয়েছিল। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু এর আগে তিনি সহস্রাধিক নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নেন। জুলাই-আগস্টে দেশপ্রেমিক ছাত্র-ছাত্রীরা দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতির মাধ্যমে শেখ হাসিনার জুলুম, নির্যাতন ও আক্রোশের চিহ্ন এঁকেছিল।’

গ্রাফিতিগুলো এখন দেশের জীবন্ত ইতিহাস হয়ে রয়েছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা হয়ত থাকবো না, কিন্তু বাংলাদেশ শতাব্দীর পর শতাব্দী বেঁচে থাকবে। এই গ্রাফিতির মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ সেই রক্তমাখা ভয়াল দিনগুলো চিরদিন স্মরণ করবে, আর জুলাইয়ের ফ্যাসিবাদ বিরোধী চেতনা অন্তরে ধারণ করবে।’

অন্য খবর: ‘প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টার্নশিপ বাধ্যতামূলক করার প্ল্যান করছি’ 

ভবিষ্যতে দেশে আর যেন ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে ব্যাপারে সচেতন থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘বর্তমান সরকারের বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের কার্যক্রমকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে।’ উপাচার্য এ সময় গ্রাফিতি অঙ্কনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং ও আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন-সহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও তাৎপর্য অক্ষুণ্ন রেখে ১, ২ ও ৩ আগস্ট উপাচার্য ভবন থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত গ্রাফিতি রংকরণ, পুনর্লিখন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছেন।

৭ পদে জনবল নিয়োগ দেবে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে …
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ভিজিএফের আওতায় অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুবিধা দ্বিগুন হচ্…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নীতিমালার আওতায় দেয়া হবে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি: সড়কমন্ত্রী
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের দৌড়ে ২ নারী লেখক
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
আগানগর আদর্শ কলেজে ৮ পদে নিয়োগ, আবেদন ২২ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬