ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে ঢাবিতে ছাত্রদল ও হল সংসদের মাঝে উত্তেজনা, শিবির কর্মী আহত

০৬ মে ২০২৬, ০২:২৩ AM
আহত শিবির কর্মী

আহত শিবির কর্মী © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে হল সংসদ ও হল শাখা ছাত্রদলের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ঢাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে হল ছাত্রদলের নেতা শাহজালাল বারীর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাত ১০টার দিকে হলের মূল ফটকে হল সংসদ ব্যানার টানাতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত সোমবার মুহসীন হল সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সাংবাদিক মো. জুলহাসকে শাহবাগে মারধরের ঘটনায় হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন হোসেনকে হামলাকারী হিসেবে উল্লেখ করে তার ছবি সংবলিত একটি ব্যানার টানানো হয়। তবে হল ছাত্রদল সেটি সরিয়ে ফেলে।

পরদিন মঙ্গলবার পুনরায় ব্যানার টানায় হল সংসদ। পরে ছাত্রদল সেটিও ছিঁড়ে ফেলে। তৃতীয়বারের মতো আবার ব্যানার টানাতে গেলে ছাত্রদল সেটি খুলতে আসে। এ সময় হল সংসদ ও কয়েকজন শিবির কর্মী বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

এ সময় মুহসীন হলের এক শিবির কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। আহত ওই শিক্ষার্থী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২৪ সেশনের মো. সালমান খান।

এ বিষয়ে মুহসীন হল সংসদের ভিপি সাদিক শিকদার বলেন, ‘আমরা গতকাল জুলহাসের ওপর হামলার বিচার চেয়ে ব্যানার টানালে তারা তা ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলে। আজ আবার ব্যানার টানাতে গেলে তারা আমাদের বাধা দেয় এবং আমাদের সঙ্গে থাকা এক ছোট ভাই সালমানকে আহত করে।’

আহত সালমান খান বলেন, ‘ব্যানার টানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই ২০ থেকে ৩০ জন ছাত্রদলের নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে এসে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। পরে আমরা কয়েকজন মিলে ব্যানারটি ফিরিয়ে আনতে গেলে তারা আমাকে গাছের পেছনে নিয়ে যায়। এ সময় দূর থেকে শাহজালাল বারী এসে আমার ডান পাশের কান ও মাথায় কয়েকটি আঘাত করে। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে আমার হাতেও গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তপাত হয়।’

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাহজালাল বারীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে শাহবাগের ঘটনায় অভিযুক্ত হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘হল সংসদের লোকজন আমাকে বারবার সন্ত্রাসী হিসেবে উল্লেখ করে ব্যানার টানানোর চেষ্টা করেছে। আমি কোনোভাবেই তা নই। তাদের এ ধরনের আচরণের কারণেই আজকের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আমি ওই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।’

উল্লেখ্য, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে হলে উত্তেজনা বিরাজ করলেও হলের প্রভোস্ট সিরাজুল ইসলামকে হলে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এছাড়া শাহবাগের ঘটনার পর থেকে তিনি হলে আসছেন না বলেও অভিযোগ করেছেন হল সংসদের নেতারা।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে স্পেনে দিন-রাতের আবহ, মুগ্ধ লাখো দর্…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ভারত সিরিজ নিয়ে আশাবাদী বিসিবি, বিপিএল নিয়ে মিলল বড় ইঙ্গিত
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়ে তদন্তে নামছে মন্ত্রণালয়, কমিটি গ…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
৩২ বছর আগে ঢাকায় হারিয়ে যাওয়া মেয়ের সন্ধান মিলল পাকিস্তানে
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
সৈনিক পদে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষকদের বদলিতে ধীরগতি, কারণ জানাল মাউশি
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬