ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি
স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি) নিয়োগের লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০২৪ সালেল ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ম গ্রেড হতে তদূর্ধ্ব পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে কি-না সে বিষয়ে সিলেকশন বোর্ড সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে। কোনো পদের ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষা সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হলে মৌখিক পরীক্ষা ২৫ শতাংশ এবং লিখিত পরীক্ষা ৭৫ শতাংশ নম্বরের ভিত্তিতে নেয়া হবে।
নম্বর বণ্টনের বিষয়ে সিলেকশন বোর্ড প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। টেকনিক্যাল পদের ক্ষেত্রে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা সমীচীন বলে কমিটি মতামত প্রদান করেছে। ২০তম গ্রেড হতে ৬ষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
১০ম গ্রেড হতে ৬ষ্ঠ গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা ৪০ শতাংশ, ব্যবহারিক পরীক্ষা ৩০ শতাংশ এবং মৌখিক পরীক্ষা ৩০ শতাংশ নম্বরের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোনো পদের ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষা সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হলে মৌখিক পরীক্ষা ৩০ শতাংশ এবং লিখিত পরীক্ষা ৭০ শতাংশ নম্বরের ভিত্তিতে নেয়া যেতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নম্বর বণ্টনের বিষয়ে সিলেকশন বোর্ড সিদ্ধান্ত নিবে। ১৬তম গ্রেড হতে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল উভয় পদের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা ৪০ শতাংশ, ব্যবহারিক পরীক্ষা ৩০ শতাংশ এবং মৌখিক পরীক্ষা ৩০ শতাংশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের অনুদান দেবে সরকার, আবেদন আহবান
২০তম গ্রেড হতে ১৭তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক থাকবে। লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ নম্বর নির্ধারণ করা যেতে পারে। পদের ধরনের ওপর নির্ভর করে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে কি-না সে বিষয়ে সিলেকশন বোর্ড সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। সংশ্লিষ্ট নম্বর বণ্টনের বিষয়েও সিলেকশন বোর্ড প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিবে।
এছাড়া, লিখিত পরীক্ষায় কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী পদের সংখ্যার পাঁচগুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য আহ্বান করা যেতে পারে বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।
চাকরিরত প্রার্থীদের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা অফিস প্রধানের মাধ্যমে দাখিল করতে হবে। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আবেদন বিবেচনা করা হবে না।