ঢাবির বাজেটে গবেষণাখাতে বরাদ্দ বেড়েছে মাত্র দেড় কোটি টাকা

১৭ জুন ২০২৫, ০৬:০৫ PM , আপডেট: ২০ জুন ২০২৫, ০৮:১৫ AM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন © টিডিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এক হাজার ৩৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গবেষণাখাতে  ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা মোট বাজেটের মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৪-২৫ সেশনের বাজেটে গবেষণাখাতে ২০ কোটি সাত লাখ টাকা গবেষণাখাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। যা গতবারের চেয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা বেশি। সোমবার (১৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। 

এদিকে মোট বাজেট থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ৮৮৩ কোটি চার লাখ টাকা দেবে। এ ছাড়া ঢাবি উৎস থেকে ৯০ কোটি টাকা আসবে। ফলে ঘাটতি থাকবে ৬২ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এবার বিভিন্ন খাতে তেমন গুরুত্বপূর্ণ বা উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গতবছরের তুলনায় এবার বেতন, ভাতা, তথ্য প্রযুক্তিখাতে বরাদ্দ কিঞ্চিৎ কমেছে।

এছাড়া পণ্য ও পরিবহণ, পেনশন, গবেষণা অনুদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, যন্ত্রপাতি অনুদানসহ কয়েকটি খাতে বরাদ্দ কিঞ্চিৎ বেড়েছে।  

গবেষণাখাতের বাজেট নিয়ে কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বাজেট প্রণয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। আমরা এর বাইরে যেতে পারি না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যয় বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। যতদিন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক স্বাধীনতা না আসবে, আমরা সরকারের ওপর নির্ভরশীল থাকব, ততদিন পর্যন্ত আমাদের কোয়ালিটি বাড়ার সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, এর আগে প্রধান উপদেষ্টার সাথে আমাদের বৈঠকে আমরা গবেষণা খাতের কথা বলেছি। তিনি আমাদের প্রস্তাব আকারে এটি দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট বাজেটের ২৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ তথা ২৯৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বেতন বাবদ, ২০ দশমিক ৮৪ শতাংশ তথা ২১৫ কোটি ৯১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ভাতা বাবদ, পণ্য ও সেবা বাবদ ২৭ দশমিক ৬২ শতাংশ তথা ২৮৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং পেনশন বাবদ ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ তথা ১৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জুন মাসের মধ্যে বার্ষিক সিনেট অধিবেশন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এবার তা হচ্ছে না। এমনকি জুলাইয়ের মধ্যেও তা হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।  

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এ বছর প্রশাসনিক জটিলতায় সিনেট অধিবেশন নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, যে ২৫ জন শিক্ষক সেখানে প্রতিনিধি রয়েছেন, তাদের মেয়াদ ১৫ জুন শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ৩৫ রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে অনেকে ফ্যাসিবাদের সহযোগী রয়েছেন। এর আগে আমরা একই কারণে সিন্ডিকেট সভা করতে পারিনি।

তিনি বলেন, সিনেটে সরকার থেকে প্রতিনিধি থাকে, এখনো সরকার থেকে প্রতিনিধি মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। ফলে আমাদের কারণে নয়, বরং প্রশাসনিক জটিলতায় আমরা এ বছর নির্ধারিত সময়ে সিনেট অধিবেশন করতে পারছি না।

ওরশ থেকে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, আহত …
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ঝুঁকিপূর্ণভাবে জ্বালানি তেল মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছাত্রদলে মেধাবী ও রানিং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চায় কবি নজর…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
এনএসইউতে এসএইচএসএস গ্র্যাজুয়েট কলোকিয়াম অনুষ্ঠিত
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করছ…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬