ঢাবির ফারসি বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. মুমিত আল রশিদ

১২ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:৫৩ PM , আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩২ PM
ড. মুমিত আল রশিদ

ড. মুমিত আল রশিদ © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শতবর্ষী ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুমিত আল রশিদ। দায়িত্ব গ্রহণের পরে বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। 

আজ রবিবার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায়  বিভাগের সিনিয়র শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বাহাউদ্দীনের কাছ থেকে ৩ বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

ড. মুমিত আল রশিদ ২০০২ সালে ঢাবির ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে স্নাতক, ২০০৩ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৯ সালে ইরানের তারবিয়্যাত মোদাররেস বিশ্ববিদ্যালয় (শিক্ষক প্রশিক্ষণ) থেকে "গুলদাস্তে গুলশান মানি গ্রন্থের ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ও শুদ্ধিকরণ” (প্রিয়তমার সৌন্দর্য নিয়ে সংকলিত কবিতামালা) বিষয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। 

২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট ফারসি বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগ দেন তিনি। ২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী তিনি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে তাকে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। 

দেশ বিদেশের বিভিন্ন গবেষণাধর্মী জার্নালে বাংলা, ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় ইতিমধ্যে ২০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে তার। এপর্যন্ত তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৮টি। তিনি ইরান বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার "ফেরেশতে" চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেন এবং ইরান বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্র “দিন দ্যা ডে” ছবির অনুবাদক এবং মূল উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের প্রথম সারির পত্রিকা প্রথম আলোতে ইরানী ইতিহাস, উৎসব, সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিষয়ে লেখালেখি করে থাকেন। 

ড. মুমিত ইরানে থাকাকালীন বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য ইরানের ৬টি জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়াল ‘ইউসুফ-জুলেখা’, ‘আসহাবে-কাহাফ’, ‘কারবালা কাহিনী’, ‘বিবি মরিয়ম’, ‘ইসা নবি’, ‘শেহেরজাদ ফরহাদ’ মূল ফারসি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। এছাড়া তিনি ৩৩টি ইরানি চলচ্চিত্র বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য মূল ফারসি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন এবং আরও ১৭টি চলচ্চিত্র সম্পাদনার কাজ করে যাচ্ছেন।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পরে ড. মুমিত আল রশিদ ডেইলি ক্যাম্পাসকে  বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালনকালে ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের বাস্তব ও গবেষণাধর্মী মৌলিক শিক্ষা উন্নয়নের পাশাপাশি সৃজনশীল শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতিতে শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি উদ্বুদ্ধ করতে চাই। তাছাড়া আমি যেহেতু দীর্ঘদিন ইরানের অবস্থান করেছি তার আলোকে বিভাগের তরুণ শিক্ষকদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জন, বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ এবং সেটির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করে যেতে চাই। আমাদের শিক্ষাবান্ধব মাননীয় উপাচার্য স্যারের সার্বিক সহযোগিতায় আশা করছি কাজগুলো সুন্দরভাবে করতে পারব।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় সাইপ্রাসে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ইউ…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
দুবাই থেকে ৩৭৮ যাত্রী নিয়ে ফিরল ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
অনলাইন গেমের আড়ালে সাইবার প্রতারণা: আপনার সন্তানের সুরক্ষায়…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
স্কুলের প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে আহত, দারোয়ান গ্রেপ্তার
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ইরান যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, সাবেক মেরিন…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
যেভাবে টানা ১২ দিন ছুটির সুযোগ পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা
  • ০৫ মার্চ ২০২৬