কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর © সংগৃহীত
ভোলার লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) অধিদপ্তরের পরিচালক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক স্বাক্ষরিত পৃথক পাঁচটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন— রসায়ন বিভাগের ইন্সট্রাক্টর মো. সাখাওয়াত হোসেন, পদার্থ বিজ্ঞানের ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর মো. তরিকুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের ইন্সট্রাক্টর মো. রিয়াজ উদ্দিন, আইটি এন্ড আইওটি বেসিকস বিভাগের ইন্সট্রাক্টর মো. শরিফুল ইসলাম রায়হান এবং ইংরেজি বিভাগের ইন্সট্রাক্টর মো. নাজমুল হাসান।
আরও পড়ুন: দুপুরের মধ্যে এক অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ সংলগ্ন ‘শিক্ষা নীড় কোচিং সেন্টার’ পরিচালনার সাথে এসব শিক্ষকের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের লিখিত বক্তব্য এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যে কোচিং সেন্টারের সাথে শিক্ষকদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মো. নাজমুল হাসানকে সরাসরি প্রাইভেট পড়ানো অবস্থায় হাতেনাতে পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, শিক্ষকদের এমন কার্যকলাপ ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বিধিমালা-২০১৮ এর ২(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ জনিত অপরাধ হিসেবে গণ্য। এমতাবস্থায়, কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা পত্র পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিভাগীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।