রাবিতে ‘শীত আগমনী উৎসব’

১২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:২৫ PM , আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৫, ০২:৪৫ PM
রাবিতে 'শীত আগমনী উৎসবে’- শীতকে বরন

রাবিতে 'শীত আগমনী উৎসবে’- শীতকে বরন © টিডিসি ফটো

শীতকে বরণ করে নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ক্যাম্পাসে চলছে 'শীত আগমনী উৎসব-১৪২৯'। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় চারুকলা প্রাঙ্গণে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম হুমায়ুন কবীর। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি শীতলপাটি উন্মোচনসহ নকশীকাঁথা সেলাই করেন। পরে সূর্যমুখী বাগান, পদ্ম পুকুরসহ বাহারি পিঠা নিয়ে বসা স্টলগুলো পরিদর্শন করেন উপ-উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

আয়োজনে শিক্ষার্থীরা বাঙ্গালির ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি, কাগজ কেটে কারুকার্যের মাধ্যমে নির্মিত সূর্যমুখী ফুলের বাগান, কাগজ দিয়ে অতিথি পাখি তৈরি করে সজ্জিত করেছেন বটগাছ এবং চারুকলা অনুষদ মাঠের এককোণে পুকুর খনন করে পদ্ম পুকুর তৈরী করেছে। সেখানে বিভিন্ন কৃত্রিম ফুল রাখা রাখা হয়েছে। এ উৎসবের মাধ্যমে শীতকালীন আবহটিকে উপস্থাপন করছে শিক্ষার্থীরা। শিল্পীদের রঙের ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে পুরো চারুকলা অনুষদের পরিচিত দৃশ্য।

বাহারি রকমের তৈরি সব পিঠা নিয়ে বাঙালি ঐতিহ্যকে ধারণ করতে এ উৎসবে রয়েছে ৭টি স্টল। এতে চারুকলা শিক্ষার্থীদের দ্বারা তৈরি নকশীকাঁথা, হাতে রাঙানো শাড়ি, চাদর, কাঠের গহনা, হ্যান্ড ব্লকের পাঞ্জাবি, হাতে রাঙানো বিজয় দিবসে উত্তরীয়, মাটির আসবাব পত্র, ফুলদানি, বেতের ঝুড়ি, পাটের ব্যাগ, কাঠের তৈরি গহনা, হ্যান্ড পেইন্টের স্কার্ফ ও ওড়না, বিভিন্ন রকম চুড়ি, কানের দুলসহ বিভিন্ন আসবাব পত্র পাওয়া যাচ্ছে।

আরিন্দা নামে এক স্টল নিয়ে বসেছেন গ্রাফিক ডিজাইন এন্ড ক্রাফটস এন্ড হিস্টোরি অফ আর্টস বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরুবা তাসনিম অর্থী। তিনি বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে সেটা যেন হারিয়ে না যায় সেই জন্য আমাদের নিজস্ব কাজে ও ডেকোরেশনে তা ফুটিয়ে তুলার চেষ্টা করছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশীয় শিল্পকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। সিল্ক বাংলাদেশে ঐতিহ্যবাহী পণ্য। সিল্ক ও মসলিনের তৈরি বিভিন্ন শাড়ি, স্কার্ফ, মাফলার নিয়ে আমরা স্টল বসিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদে শীত আগমনী উৎসব দেখতে আসেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী রনি আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলা সংস্কৃতির বিষয়ে শুধু কাগজে কলমে পড়ি। আজকে বাংলার সংস্কৃতিকে নিজে চোখে কিছুটা দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। গাছে গাছে অতিথি পাখির মেলা, পদ্ম পুকুর ও সূর্যমুখী চত্বর সবগুলোতেই বাঙ্গালীর সংস্কৃতি ধারা। খুবই ভালো এ উৎসবে আসতে পেরে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে শীতকে বরণ করে নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাঙালি হিসেবে বাঙালির সংস্কৃতি ধারণ করা আমাদের কর্তব্য। চারুকলা অনুষদের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে তুলে ধরার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। এমন উৎসব শুধু এবার নয় প্রতিবার চালু থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন এ অধ্যাপক।

ইরানে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে চীন
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
কারিগরি শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি 
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
কাস্টমার সার্ভিস অফিসার নেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, আবেদ…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
হামের লক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও ২৭ শিশু ভর্তি
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
close