স্মার্টফোন © সংগৃহীত
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ স্মার্টফোনটি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ধীরগতি বা ‘হ্যাং’ হওয়ার সমস্যায় পড়তে হয়। ঘরদোর বা কাজের টেবিল যেমন আমরা নিয়মিত গুছিয়ে রাখি, স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম প্রযোজ্য।
সাধারণত এক-দুই বছর ব্যবহারের পর অপ্রয়োজনীয় মেসেজ, ভিডিও আর ছবির ভিড়ে ফোনের মেমোরি পূর্ণ হয়ে যায়, যার ফলে স্মার্টফোনটি ক্রমশ স্লো হতে শুরু করে। মেমোরি ফুল হয়ে যাওয়ার পর তাড়াহুড়ো করে সব ডিলিট করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় প্রয়োজনীয় ফাইলও হারিয়ে ফেলি। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পাঁচটি কৌশল অনুসরণ করতে পারেন।
কৌশল ১: পুরো বাড়ি একদিনে পরিষ্কার করা ঝক্কির, বদলে একটি ঘর বেছে নেওয়া ভাল। মোবাইলের ক্ষেত্রেও তাই। যদি একদিন ছবি বাছাই করতে বসেন, সে দিন সেইটাই করুন। ক্যামেরায় তোলা ছবি ছাড়াও হোয়াটস অ্যাপ বা অন্য অ্যাপ মারফত আসা ছবি, ফোনে জমতে থাকে। থাকে একাধিক স্ক্রিন শটও। বেছে নিন কোনটি দরকার, কোনটি নয়। বাতিল করা যাচ্ছে না এমন বড় ফাইলের ছবি-ভিডিয়ো এসডি কার্ডে বা অন্য ডিভাইসে সরিয়ে দিতে পারেন।
কৌশল ২: হোয়াটস অ্যাপের ক্ষেত্রে ছবি-ভিডিয়ো বেছে বেছে ডিলিট করা সময় সাপেক্ষ। তা ছাড়া, কাজের প্রয়োজনে নিয়মিত ছবি-ভিডিয়ো পাঠাতে হয় এমন অনেকে থাকেন সংযোগ তালিকায়। প্রয়োজনমতো ‘ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ়’ পন্থাটি চালু করে রাখতে পারেন বিশেষ বিশেষ নম্বরের ক্ষেত্রে। ২৪ ঘণ্টা, ৯০ দিন— এমন সময় সীমা নির্দিষ্ট করে রাখলে, তার পর ছবি-ভিডিয়ো নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যাবে।
কৌশল ৩: কাজের জন্য অনেক ধরনের অ্যাপ ডাউনলোড করা হলেও, সব অ্যাপ সব সময় কাজে লাগে না। অব্যবহৃত অ্যাপগুলিও পরিষ্কার করে নিন। মোবাইলে জমে থাকা জাঙ্ক ফাইল এবং ক্যাশেও পরিষ্কার করুন নিয়মিত।
কৌশল ৪: প্রতি দিন অজস্র কাজের ই-মেল যেমন আসে, স্বয়ংক্রিয় ভাবে বিভিন্ন সংস্থার ইমেলও ঢুকতে থাকে। অপ্রয়োজনীয় মেল পরিষ্কার করাটাও জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ২দিন এই কাজে বরাদ্দ করতে পারেন। জুড়তে পারেন এসএমএস ডিলিটের কাজটিও।
কৌশল ৫: গান, সিনেমা, সিরিজ় অনেকেই সময়মতো দেখবেন বলে মোবাইলে রেখে দেন। পরে দেখা হলেও সেটি ডিলিট করা হয় না। ফোন পরিষ্কারের তালিকায় এগুলিও রাখুন।
সংবাদসূত্রঃ আনন্দবাজার