হোয়াটসঅ্যাপে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা বাড়িয়ে দেয় © ফাইল ছবি
অনলাইন জালিয়াতি ও অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি বাড়তে থাকায় ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন করে গুরুত্ব দিচ্ছে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর একটি ফিচার হলো ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’, যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে বাড়তি সুরক্ষা যোগ করে।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, শুধু মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন নয় এর সঙ্গে একটি আলাদা পিন যুক্ত হয়, যা অ্যাকাউন্টকে আরও নিরাপদ রাখে।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন কী?
‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ হলো একটি ঐচ্ছিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা চালু করলে ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট পিন নম্বর সেট করতে হয়। এ পিনটি সাধারণ ৬-সংখ্যার এসএমএস কোড থেকে আলাদা, অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সময় অতিরিক্ত সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে অর্থাৎ, কেউ আপনার সিম ব্যবহার করলেও পিন ছাড়া অ্যাকাউন্টে ঢোকা কঠিন হয়ে যায়।
কীভাবে কাজ করে এই ফিচার?
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করার পর একটি নির্দিষ্ট পিন সেট করতে হয়, এরপর সপ্তাহে একবার সেই পিন দিতে মনে করিয়ে দেয় অ্যাপ, এতে ব্যবহারকারী পিন ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে। এটি মূলত অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ইমেইল যুক্ত করলে বাড়ে নিরাপত্তা
এ ফিচার চালুর সময় ব্যবহারকারীরা চাইলে একটি ইমেইল ঠিকানাও যোগ করতে পারেন। এর সুবিধা হলো পিন ভুলে গেলে ইমেইলে রিসেট লিংক পাওয়া যায় এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার সহজ হয়, পাশাপাশি অতিরিক্ত সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
আরও পড়ুন: উইকিপিডিয়া প্রধানমন্ত্রীর জায়গায় সালাহউদ্দিন আহমেদ, পরে সংশোধন
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ফিচার?
বর্তমানে ফিশিং, সিম ক্লোনিং বা সামাজিক প্রকৌশল কৌশলের মাধ্যমে অনেকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। একাউন্ট হ্যাক করে সমস্ত মেসেজ বা ভিডিও লিক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে, এ পরিস্থিতিতে হোয়াটসঅ্যাপ-এর টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেম জরুরি। এটি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কমায়, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে এবং অননুমোদিত কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারে না।
ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই হোয়াটসঅ্যাপ-এর টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন ফিচার ব্যবহারকারীদের সে সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায়। সংশ্লিষ্টদের মতে এ ফিচারটি চালু রাখা জরুরি।