শিক্ষক সমিতির ব্যানার আওয়ামীপন্থীদের কর্মসূচি, হুঁশিয়ারি দিল ঢাবি সাদা দল

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪১ PM
ঢাবি সাদা দল

ঢাবি সাদা দল © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতির ব্যানারে আওয়ামীপন্থী নীলদলের শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের সমাধিতেও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। আগামীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিরোধী ও পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের দোসরদের এমন কোনো অপতৎপরতা আর বরদাশত করবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। 

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার।

এর আগে দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ব্যানারে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনের নেতৃত্বে শহীদ মিনারের এই কর্মসূচিতে কাউকে বাধা দিতে দেখা যায়নি। যদিও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শিক্ষক সমিতির ব্যানারে প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়নি।

পরে এক বিবৃতিতে সাদা দল বলছে, গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ করা যাচ্ছে যে, বর্তমানে অকার্যকর এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ব্যানারে পতিত স্বৈরাচারের দোসর কয়েকজন শিক্ষকের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। সাদা দল বর্তমানে অস্তত্বিহীন শিক্ষক সমিতির নামে এই অনৈতিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। 

বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কোনো বৈধ বা কার্যকর কমিটি নেই। যারা নিজেদের এই সমিতির দায়িত্বশীল বলে দাবি করছেন, তাদের কোনো নৈতিক বা আইনি ভিত্তি নেই। এই তথাকথিত দায়িত্বশীলরা ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় খুনি স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। তারা সরাসরি গণঅভ্যূত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানোর পথকে প্রশস্ত করেছিলেন। চব্বিশ-এর ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এই গোষ্ঠীটি সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে ‘গণধিকৃত’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রাথমিক শাস্তি হিসেবে তাদের অনেককেই একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এমতাবস্থায় বিশ^বিদ্যালয়ের একটি মর্যাদাশীল সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোন কার্যক্রম পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই।

নেতৃবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরও বলেন, অবিলম্বে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন এবং কার্যকর কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ‘শিক্ষক সমিতি’র নাম বা ব্যানার ব্যবহার করে সকল প্রকার কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে যেন কোনো গণধিকৃত ও বিতর্কিত শিক্ষক ও সংগঠন যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র ও সংবেদনশীল স্থানগুলোতে কোনো প্রকার রাজনৈতিক অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ না পায়।

‘তুই নূর না?’—১৭ বছর পরও তারেক রহমানের স্মৃতিতে পুরোনো মুখ
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির তিন নেতার জন্য দুঃসংবাদ
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাবির কবি সুফিয়া কামাল হলে কুইজ প্রতি…
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন দিনের আশা জাগাচ্ছে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঈদের আগে শিক্ষকদের শতভাগ উৎসব ভাতার খবর, যা বলছে মন্ত্রণালয়
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬