শিক্ষার্থীদের হাতে আটক চবির আওয়ামীপন্থি শিক্ষক রোমান শুভ

১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০৯ PM , আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৫ PM
হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা

হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা © টিডিসি ফটো

জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত গণহত্যার সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের আওয়ামীপন্থি সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক সহকারী প্রক্টর হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আটক করেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে তিনি ক্যাম্পাসে এলে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে।

তার বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী আন্দোলনে ‘গণহত্যা’কে সমর্থন এবং ফ্যাসিস্টদের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ করা হয়েছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষার গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি পৃথক তদন্ত চলমান রয়েছে। এসব তদন্ত চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের চিঠির ভিত্তিতে তিনি ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন।

এ সময় বিষয়টি জানতে পেরে চাকসুর প্রতিনিধিরা তাকে আটক করতে এগিয়ে যান। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি আইন বিভাগের সামনের পথ ব্যবহার না করে পেছনের একটি রাস্তা দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পালানোর সময় শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে ফেলেন। 

চাকসুর আইন বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ বলেন, জুলাই আন্দোলনের গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমান শুভর বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ আমলে তিনি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে মামলা করেন। আইন অনুষদের এক শিক্ষার্থী জুবায়েরের বিরুদ্ধে এমন মামলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ছাত্রলীগকে সরাসরি সহায়তা দিতেন এবং বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে দিকনির্দেশনা দিতেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তদন্ত চলমান থাকা সত্ত্বেও ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পেয়ে ক্যাম্পাসে আসলে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পালাতে গিয়ে পড়ে গেলে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে।

আটকের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভ বলেন, তোমরা দেখো, আমি কোনো মৌন মিছিলে বের হইনি। আমি বের হইনি মৌন মিছিলেও না। যদি এটা কেউ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে স্যারকে দেখো, আমি শাস্তি মাথা পেতে নেব। আমি বের হইনি।

তিনি আরও বলেন, আমি একজন সাবেক বিচারক এবং আইনের শিক্ষক। তোমরা প্রমাণসহ বলো—আমি জুলাই আন্দোলনে কোথাও বের হয়েছি কিনা। স্যাররা দেখুন, আমি কোথাও বের হইনি। আমি মৌন মিছিলও করিনি, কিছুই করিনি। তাহলে যেভাবে বলা হচ্ছে, আমি স্টুডেন্টদের কীভাবে বহিষ্কার করব? আমি কি বোর্ড অব রেসিডেন্সের মেম্বার ছিলাম? স্যারকে জিজ্ঞেস করুন—মেম্বার তো পদাধিকার বলে হয়। আমি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন মসজিদ নিয়ে বিতর্ক, যা …
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর টাকার খাম! মিডিয়া সেলের অস্বীকার, মুফতি উস…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
‘ভোটাধিকার হরণ ঠেকাতে কাফনের কাপড় প্রস্তুত রেখেই নির্বাচনে …
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালে, আবেদন শেষ ১৫ ফে…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
তারেক রহমানের উপহার পাওয়া অন্ধ গফুরের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজির রাজনীতি নয়, ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬