নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি শাবিপ্রবি শিক্ষকদের একাংশের

১২ নভেম্বর ২০২৩, ০৭:৪০ PM , আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩২ PM
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ছবি

নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াতপন্থি প্যানেল ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল শিক্ষক ফোরাম’ এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) শাবিপ্রবি শাখার নেতারা।

রোববার (১২ নভেম্বর) বিকালে দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ওই দুই সংগঠনের নেতৃত্বাধীন চারজন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় এবং শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। পূর্বপরিকল্পিত পন্থায় হামলা করে সেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশটি পণ্ড করা হয়েছে এবং তাতে বিএনপির অগণিত নেতাকর্মী, সমর্থক, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষ হতাহত ও আটক হয়েছে বলে দেশে ও বিদেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

‘‘সেদিন থেকেই ব্যাপকহারে শুরু হয়েছে পুলিশি অভিযানের নামে বাসা-বাড়িতে রাত-বিরাতে হামলা, পরিবার পরিজনের সামনেই সংশ্লিষ্টদেরকে মারধর করা, তালিকাভুক্ত লোকদেরকে না পেরে নিকটাত্মীয়দের হেনস্থা করা এবং জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নিয়ে যাওয়া।’’ 

শাবিপ্রবি শিক্ষকদের একাংশ বলছেন, এহেন বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে আজ কেউ ঘরে ঘুমাতে পারছেন না। দেশের এই ভয়াল দুর্দশার জন্য সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন দেশে এমনকি জাতিসংঘে চরমভাবে সমালোচিত ও দায়ী হচ্ছে।

শিক্ষকরা বলেন, আজ সর্বমহলে সরকারের অপরাজনীতির তীব্র নিন্দার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটকদের নানা ধরনের ভয় দেখিয়ে দল ভাঙার চেষ্টা চলছে বলে অবিরত জোড়ালো অভিযোগ উঠছে। আজ শুধু রাজধানী ঢাকায় নয়, এমন পরিকল্পিত অপতৎপরতা দেশ জুড়েই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে গ্রাম, শহর সব জায়গায় একটা ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষকরা এমন পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একইসঙ্গে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে শিক্ষকরা বলেন, বিরোধীদলের প্রতিটি কর্মসূচিতে প্রায় দেখা যায় পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকে একদল যুবক অস্ত্র হাতে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় অংশ নেয়। এতে দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে ভীষণ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যাতে পুরো জাতি আজ ভীতসন্ত্রস্ত।

তারা বলেন, সাদাপোশাকধারী মানুষগুলো কারা? সেটি তদন্ত করে বের করে তাদের পরিচয় জনসম্মুখে প্রকাশ না করা পর্যন্ত দেশি ও বিদেশিদের কাছে আমাদের পুলিশ বাহিনীর দায়িত্ব পালন প্রশ্নবিদ্ধ হতে থাকবে। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত সব বাহিনী নিজস্ব স্বকীয়তায় পেশাদারিত্বের সহিত দায়িত্ব পালন করবেন মর্মে শিক্ষকরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ঢাবিতে পানি-বিদ্যুতের অপচয় রোধে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মস…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ—এখন কী হবে?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটের সময় কী হয়েছিল?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পুরস্কারের ঘোষণা প্রতিমন্ত্…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবি প্রথমবর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ক্লাস শুরু
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৯০, আবে…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬