লামইয়া কবির © টিডিসি সম্পাদিত
নিজের আগ্রহ, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, গবেষণার অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপের পাঁচটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল-ফান্ডেড ইরাসমাস মুন্ডুস যৌথ মাস্টার্সে সুযোগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী লামইয়া কবির। ‘লাইভ লিডিং ইন্টারন্যাশনাল ভ্যাক্সিনোলজি এডুকেশন’ প্রোগ্রামে এ বছর বিশ্বের ২ হাজার ২৬৪ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে পূর্ণ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ১৯ জন। বাংলাদেশ থেকে এই দলে একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অর্জনটি তার কাছে আরও বিশেষ। লামইয়া কবিরের ইরাসমাস মুন্ডুসে সুযোগ পাওয়ার অনুভূতি, এই অর্জনের পেছনের দীর্ঘ পথচলা ও ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে।
করোনার অভিজ্ঞতা থেকে ভ্যাক্সিনোলজিতে আগ্রহ
ভ্যাক্সিনোলজি নিয়ে কাজ করার আগ্রহের পেছনে রয়েছে করোনাভাইরাস মহামারির প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা। লামইয়া বলেন, আমি যখন স্নাতকের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী, তখনই করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এর আগে প্লেগসহ বিভিন্ন মহামারির কথা মূলত বইয়ের পাতায় ইতিহাসের অংশ হিসেবেই পড়েছি। কিন্তু করোনার প্রভাব খুব কাছ থেকে, স্বচক্ষে দেখার অভিজ্ঞতা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তখনই প্রথম উপলব্ধি করি, একটি মহামারি শুধু একটি রোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের জীবন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, অর্থনীতি থেকে শুরু করে পুরো সমাজব্যবস্থার ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি আরও বলেন, স্নাতকের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে এসে সেই উদ্বেগ ধীরে ধীরে আমার একাডেমিক আগ্রহে পরিণত হয়। বারবার আমার মনে একটি প্রশ্ন আসত আজ আমরা করোনার মতো একটি মহামারির মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু ভবিষ্যতে যদি আরও কোনো নতুন মহামারি আসে, তাহলে আমরা আসলে কতটা প্রস্তুত? এই প্রশ্ন থেকেই নতুন ধরনের রোগজীবাণু ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগ মোকাবিলায় নতুন প্রজন্মের টিকা প্রযুক্তি নিয়ে আমার আগ্রহ তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে এই আগ্রহই ভ্যাক্সিনোলজি নিয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার দিকে আমাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে।
দেড় বছরের প্রস্তুতি
ইরাসমাস মুন্ডুসকে তিনি এমন কোনো আবেদন হিসেবে দেখেননি, যার জন্য কয়েক মাস প্রস্তুতি নিয়ে শুধু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেই হবে। বরং প্রায় দেড় বছর ধরে ধীরে ধীরে নিজের প্রোফাইল তৈরি করেছেন।
লামইয়া কবির বলেন, প্রস্তুতির শুরুতেই নিজের শক্তি ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করা জরুরি। প্রোফাইলে কোথায় ঘাটতি রয়েছে, কোন দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করা দরকার এসব নির্ধারণ করে ধীরে ধীরে সেগুলো পূরণের চেষ্টা করেছেন তিনি।
একই সঙ্গে নিজের গবেষণার আগ্রহের সঙ্গে যে প্রোগ্রামে আবেদন করছেন, সেটির লক্ষ্য ও শিক্ষণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ইউরোপীয় মান অনুযায়ী জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, নিজের শিক্ষাজীবন ও গবেষণার অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে তুলে ধরা এবং কেন এই প্রোগ্রাম, কেন এই বিষয় এবং ভবিষ্যতে কী করতে চান এসবকে একটি যৌক্তিক ধারায় উপস্থাপন করেছেন।
আরও পড়ুন: মায়ের অসমাপ্ত স্বপ্ন, নীলার ছয় বছরের লড়াই আর একটি থিসিস ডিফেন্সের গল্প
তিনি বলেন, আরেকটি বিষয়কে আমি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি, সেটি হলো আবেদনপত্র তৈরির চেয়ে সেটি পর্যালোচনা করার পেছনে বেশি সময় দেওয়া। একটি জীবনবৃত্তান্ত বা উদ্দেশ্যপত্র একবার লিখেই জমা না দিয়ে বারবার পড়েছি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করেছি। কোথায় আরও স্পষ্টতা প্রয়োজন, কোথায় অপ্রয়োজনীয় তথ্য রয়েছে কিংবা কোথায় আমার আগ্রহ ও প্রেরণাকে আরও ভালোভাবে তুলে ধরা যায় এসব বিষয় নিয়ে কাজ করেছি।
পাশাপাশি অন্যদের কাছ থেকেও মতামত নিয়েছি এবং সেই পরামর্শ অনুযায়ী আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনেছি। প্রতিটি প্রোগ্রামের জন্য একই ধরনের আবেদন না করে, সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের লক্ষ্য ও বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবনবৃত্তান্ত ও উদ্দেশ্যপত্র আলাদাভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছি।
গবেষণার অভিজ্ঞতা দিয়েছে আত্মবিশ্বাস
প্রায় দুই বছরের গবেষণা অভিজ্ঞতায় তিনি নিউরোইমিউনিটি, ক্যানসার মেটাস্টাসিস ও ভ্যাক্সিনোলজি নিয়ে কাজ করেছেন। তার কাছে ক্যানসার মেটাস্টাসিস ও ভ্যাক্সিনোলজি—দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ক্যানসার গবেষণা তাকে রোগের জীববিজ্ঞান ও টিউমারের বিস্তার নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। অন্যদিকে ভ্যাক্সিনোলজি তাকে রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসামূলক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ দিয়েছে।
দীর্ঘ শিক্ষাজীবন ও গবেষণার পথে নিজের প্রকৃত আগ্রহ খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। কারণ মাস্টার্সকে তিনি শেষ গন্তব্য হিসেবে দেখছেন না। এর পর পিএইচডি কিংবা শিল্পখাত যে পথেই যান না কেন, সামনে আরও বহু বছর শেখা, গবেষণা করা ও নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ রয়েছে।
জিআরই ছাড়াই সাফল্য
ইরাসমাস মুন্ডুসের বেশিরভাগ প্রোগ্রামে জিআরই বাধ্যতামূলক নয়, যদিও প্রোগ্রামভেদে প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হতে পারে। লামইয়া বলেন, শুধু ভালো সিজিপিএ বা কয়েকটি গবেষণাপত্র থাকলেই একটি শক্তিশালী আবেদন তৈরি হয় না। বরং ভারসাম্যপূর্ণ একাডেমিক প্রোফাইল, গবেষণার অভিজ্ঞতা, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা এবং নিজের পুরো শিক্ষাজীবন ও গবেষণার যাত্রাকে একটি সুসংগত গল্প হিসেবে তুলে ধরাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, আমি আমার আবেদনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি থেকে কীভাবে ধীরে ধীরে আমার আগ্রহ ইমিউনোলজি ও ক্যানসার বায়োলজি হয়ে ভ্যাক্সিনোলজিতে এসেছে এবং এই আগ্রহ কীভাবে আমার ভবিষ্যৎ একাডেমিক ও গবেষণার লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে যুক্ত।
এ ছাড়া সাক্ষাৎকার পর্বটিও ছিল মূল্যায়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সেখানে আমি বুঝতে পেরেছি, তারা এমন প্রার্থী খোঁজে যার শিক্ষাগত পটভূমি, আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য প্রোগ্রামের সঙ্গে ভালোভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যে আন্তর্জাতিক পরিবেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারে।
আইইএলটিএসে ৭.৫, শ্রবণ অংশে পূর্ণ ৯
ইংরেজি ভাষায় নিয়মিত চর্চা ও বিভিন্ন ধরনের ইংরেজি উচ্চারণ শোনার অভ্যাসকে আইইএলটিএস প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখেন তিনি। অবসর সময়ে বিভিন্ন ইংরেজি উচ্চারণ শোনা ও অনুশীলন করার অভ্যাস শ্রবণ অংশে তাকে সহায়তা করেছে।
ভুল হলে সেটি বানান, অপরিচিত উচ্চারণ নাকি মনোযোগের সমস্যা কারণটি চিহ্নিত করে সংশোধনের চেষ্টা করেছেন। পাঠ অনুধাবনের ক্ষেত্রে সময় ব্যবস্থাপনা ও প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে পরিচিত হওয়াকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, আর কথা বলার অংশে মুখস্থ উত্তর না শিখে স্বাভাবিক ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলার অনুশীলন করেছিলাম। এই প্রস্তুতির ফল হিসেবে আমি আইইএলটিএসে ৭.৫ স্কোর অর্জন করি। এর মধ্যে শ্রবণ অংশে পূর্ণ ৯ নম্বর পেয়েছি।

গথেনবার্গের সুযোগ ছেড়ে ইরাসমাস মুন্ডুস
লামইয়া কবির বলেন, গথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএসসি করার সুযোগটি নিঃসন্দেহে আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ইরাসমাস মুন্ডুস বেছে নেওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ ছিল এর বহুমাত্রিক শিক্ষার সুযোগ এবং বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ।
তিনি আরও বলেন, একই প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্পেন, বেলজিয়াম ও ফ্রান্স তিনটি ভিন্ন ইউরোপীয় দেশে পাঁচটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পাশাপাশি একাধিক গবেষণার পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পাব। আমি মনে করি, এই বৈচিত্র্যময় একাডেমিক অভিজ্ঞতা আমার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও বিস্তৃত করবে এবং ভবিষ্যতের গবেষণা ও পেশাগত জীবনে আমাকে আরও প্রস্তুত করে তুলবে।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ভ্যাকসিন গবেষণা ও বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানো
আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম শেষ করার পর তার প্রাথমিক লক্ষ্য ইউরোপের ওষুধ ও জৈবপ্রযুক্তি শিল্পে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ানো। অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, রোশ ও নোভার্টিসের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি থাকা এই পরিবেশে শিল্পখাতের অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ তৈরির সুযোগ কাজে লাগাতে চান তিনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে আমার লক্ষ্য হলো, এই আন্তর্জাতিক ওষুধশিল্পের যোগাযোগের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থানীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোর সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা। বাংলাদেশে ইনসেপ্টা ফার্মা ইতোমধ্যে টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। তবে টিকা গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
জাবির এই শিক্ষার্থী জানান, আমার মূল লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশকে টিকা উৎপাদনে সক্ষম করে তোলা নয়; টিকা গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও দেশকে আরও শক্তিশালী করা। যাতে ভবিষ্যতে কোনো মহামারি দেখা দিলে আমাদের অতিরিক্তভাবে বিদেশের ওপর নির্ভর করতে না হয় এবং বাংলাদেশ নিজস্ব টিকা উন্নয়ন ও উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের আর-ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে যাচ্ছেন মাভাবিপ্রবির তাইয়্যেবা
আমার এই অর্জনের পেছনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সমৃদ্ধ পাঠ্যক্রম এবং বিভিন্ন বিষয়ে কাজ ও গবেষণার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিভাগের শিক্ষকদের সহযোগিতার প্রতিও আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম খলিল স্যারকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন অধিবেশন আয়োজন এবং ‘হায়ার এডুকেশন লোন প্রোগ্রাম-হেল্প’ চালুর উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানাই। বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশরাফুল হাসান স্যারকেও শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।
পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার জন্য জাহাঙ্গীরনগর বায়োকেমিস্ট্রি ফোরামের প্রতিও আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
‘সংখ্যার চেয়ে মান গুরুত্বপূর্ণ’
আন্তর্জাতিক বৃত্তিতে আবেদন করতে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ জানিয়ে লামইয়া বলেন, আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ হলো, নিজের একাডেমিক প্রোফাইলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রোগ্রাম বেছে নেওয়া। শুধু বৃত্তি পাওয়ার জন্য যেকোনো প্রোগ্রামে আবেদন না করে নিজের শিক্ষাগত পটভূমি, গবেষণার আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে প্রোগ্রামটির কতটা সামঞ্জস্য রয়েছে, সেটি আগে দেখা উচিত।
একসঙ্গে অনেকগুলো বৃত্তিতে দায়সারা আবেদন করার চেয়ে তিন-চারটি প্রাসঙ্গিক প্রোগ্রাম বেছে নিয়ে প্রতিটির জন্য সময় দিয়ে শক্তিশালী ও আলাদাভাবে সাজানো আবেদন তৈরি করাকে আমি বেশি গুরুত্ব দিই। আমি সবসময় মনে করি, সংখ্যার চেয়ে মানই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।