বিদেশে উচ্চশিক্ষা

অস্ট্রিয়ার ডকুমেন্ট লিগালাইজেশন করবেন যেভাবে

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৪ PM
অস্ট্রিয়ায় স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে জেনে নিন খুঁটিনাটি বিষয়ে

অস্ট্রিয়ায় স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে জেনে নিন খুঁটিনাটি বিষয়ে © সংগৃহীত

আর্থিক মাথাপিছু আয়ের বিচারে অস্ট্রিয়া পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশটির নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান যেমন উচ্চ, তেমনি উন্নত যোগাযোগব্যবস্থাও বিশ্বে প্রশংসিত। শুধু জীবনমান বা অবকাঠামো নয়—অস্ট্রিয়ার শিক্ষাব্যবস্থাও অত্যন্ত মানসম্পন্ন এবং গবেষণানির্ভর।

অস্ট্রিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সর্বদা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষেই থাকে। বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় পড়তে যাওয়ার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হলো—সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনা বেতনে বা তুলনামূলক স্বল্প বেতনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক অস্ট্রিয়াতে উচ্চশিক্ষার জন্য কিভাবে করবেন ডকুমেন্ট লিগালাইজেশন। 

১️. কোন কোন ডকুমেন্ট লিগেলাইজেশন করতে হবে

স্নাতকোত্তরের জন্য

স্নাতক (অনার্স) এর মূল সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট। 

স্নাতকের জন্য:

এইচএসসি (HSC) সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট (বাংলাদেশে অধ্যয়নরত থাকলে) স্নাতকের কমপক্ষে দুই বছরের ট্রান্সক্রিপ্ট। 

নোট: সব ডকুমেন্ট প্রথমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড → শিক্ষা মন্ত্রণালয় → পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA) থেকে সত্যায়িত করতে হবে।

আরও পড়ুুন: জেনে রাখুন বিশ্বসেরা ২৯ স্কলারশিপের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

২️. লিগেলাইজেশন প্রক্রিয়া ও আনুমানিক খরচ

*মোট আনুমানিক খরচ

৭৫,০০০ – ৮০,০০০ টাকা (ডকুমেন্ট সংখ্যা ও ইউরো রেট অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে)। 

*কনস্যুলেটে জমা

অস্ট্রিয়ার অনারারি কনস্যুলেট অফিসে (ঢাকা) মূল কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

*সময়

সাধারণত দুপুর ২টা – ৪টা। 

প্রতি ডকুমেন্ট লিগেলাইজেশন ফি: ৮০ ইউরো।

কুরিয়ার চার্জ: প্রায় ২,০০০ টাকা।

*ভেরিফিকেশন ফি

প্রায় ১ মাস পর VFS Global থেকে কল আসবে। বর্তমান ভেরিফিকেশন ফি প্রায় ৫১,৮৮০ টাকা। 

*ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন

ফি পরিশোধের ৭–১০ দিনের মধ্যে টিম আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় আসবে। 

আরও পড়ুন: বিদেশে উচ্চশিক্ষা: জেনে নিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুল-ফ্রি ১৬ স্কলারশিপ সম্পর্কে

৩️. ভেরিফিকেশনের সময় কী জানতে চাওয়া হয়

ভেরিফিকেশন টিম সাধারণত নিচের বিষয়গুলো যাচাই করে:

পারিবারিক তথ্য

*পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা। 

*তাদের NID/পাসপোর্ট দেখা। 

*আপনার সার্টিফিকেট মিলিয়ে দেখা। 

আর্থিক অবস্থা

*পরিবারের মাসিক আয়-ব্যয়ের বিবরণ। 

*আয়ের উৎস (চাকরি/ব্যবসা/কৃষি)। 

*মৌখিক তথ্য নোট করা হয় (তাৎক্ষণিক কাগজপত্র সবসময় লাগে না)। 

প্রতিবেশীর সাক্ষ্য

*কমপক্ষে ২ জন প্রতিবেশী উপস্থিত থাকা ভালো। 

*তাদের সঙ্গে কথা বলা ও ছবি তোলা। 

গ্রুপ ছবি

*পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আপনার একটি ছবি নেওয়া হয়। 

আরও পড়ুন: জেনে নিন মধ্যপ্রাচ্যের ১১ স্কলারশিপ সম্পর্কে

৪️. ফলাফল সংগ্রহ

ভেরিফিকেশন শেষ হওয়ার প্রায় ১–১.৫ মাস পর কনস্যুলেট থেকে কল আসবে। তখন লিগালাইজড ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা যাবে।

ময়মনসিংহে ‘পাচারকারীদের’ ফেলে যাওয়া দুই লজ্জাবতী বানর উদ্ধার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
‘শামীম কায়সার ৪ মাযহাবের চেতনাবিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী’, ধর…
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি কার্যালয়সহ ৩ সচিব পদে রদবদল
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
রাকসু সদস্যদের ব্যঙ্গ করে ছাত্রদলের ‘ভাউচার মেলা’
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
ইউআইইউতে নারী পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের জন্য জলবায়ু চ্যালেঞ্জ…
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী কে কোন দপ্তর পেলেন
  • ২১ আগস্ট ২০২৬