বাউফল ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ৯ নেতাকর্মী কারাগারে

১৭ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩০ PM
সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রাহাত জামশেদ

সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রাহাত জামশেদ © টিডিসি ফটো

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রাহাত জামশেদসহ ৯ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বাউফল আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে খুন হওয়া একটি হত্যা মামলায় আসামি করা হয় তাদের। সোমবার (১৬ নভেম্বর) পটুয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন তারা। তবে বিচারক রোকসানা পারভীনের আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে তারা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি গোলাম ওহিদ চৌধুরী টেনু ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মোজাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
এ ঘটনায় উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোপ ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে থানা-সংলগ্ন ডাকবাংলোর সামনে বাউফল পৌরসভার উদ্যোগে করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে করণীয় বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সংবলিত একটি তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় তাপস চন্দ্র দাস নামে এক যুবলীগ কর্মী আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ওই ঘটনায় তাপসের বড় ভাই পঞ্চজ কুমার দাস বাদী হয়ে বাউফল থানায় ৩৫ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েল, ইউপি চেয়ারম্যান এনএম জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রাহাত জামশেদসহ ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আসামি হন প্রথম আলোর সাংবাদিক এবিএম মিজানুর রহমানও।

বাউফল পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল লতিফ খান বাবুল দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে আদৌ জড়িত না থেকেও আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রাহাত জামসেদসহ ৯ নেতাকর্মীকে আসামিকে কারাগারে যেতে হলো। এমন অপরাজনীতি বন্ধ করা প্রয়োজন। তা না হলে ভালো মানুষেরা রাজনীতি থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখবে।

স্থানীয় আওয়ামীগের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। একপক্ষের নেতৃত্বে আছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আ. স. ম. ফিরোজ এবং অপরপক্ষের নেতৃত্বে আছেন বাউফল পৌরসভার মেয়র ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েল। নিহত তাপস সাংসদ আ. স. ম. ফিরোজ সমর্থিত কর্মী ছিলেন। তাপসের বাড়ি উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে।

রেকর্ড ভাঙার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন, এবার ভরি কত?
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানে হামলা হলে আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি সর্বোচ্চ নেতার
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এনসিটি ইজারা ইস্যুতে কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তাহেরির নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ বিএনপির বি…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ট্রেনিং এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, আব…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬