যেসব দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা বুঝবে না তারা আওয়ামী লীগের মতোই হারিয়ে যাবে: ড. মির্যা গালিব

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:০২ AM , আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪৪ PM

© সংগৃহীত

যেসব দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা বুঝবে না তারা আওয়ামী লীগের মতোই হারিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্যা গালিব। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে ধারণ করে নয়া আজাদীর বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনমূলক প্লাটফর্ম ‌‌‌‘ছত্রিশ’ কর্তৃক আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। 

ড. মির্যা গালিব বলেন, যে জাতি নিজেদের মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলতে পারে কেবল তারাই পারে দুনিয়াকে নেতৃত্ব দিতে। গণঅভ্যুত্থানের মৌলিক বিষয় ছিল গণতন্ত্রের অধিকার। আওয়ামী বিভাজনের রাজনীতি আমাদেরকে একে অপর থেকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। এই গণঅভ্যুত্থানের পরও আমরা দেখছি কোনো কোনো রাজনৈতিক দল একই সুরে কথা বলছে; এটা লজ্জার। 

তিনি বলেন, ‘২৪ এর গণঅভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যদি হয় ফ্যাসিজম কিংবা তিনটা ইলেকশন চুরি করা তাহলে আওয়ামী লীগ যতদিন না তাদের ফ্যাসিজমকে স্বীকার করছে ততদিন তারা গণতান্ত্রিক দল হিসেবে পারফর্ম করতে পারবে না। এরশাদও স্বৈরাচার ছিল কিন্তু তিনি তো ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশেই ছিলেন। হাসিনা কেন ভারতে? এটাই প্রমাণ করে বাংলাদেশে ১৬ বছর আওয়ামী ফ্যাসিজমের  সাথে ভারতীয় আধিপত্যও চলেছে। তরুণ প্রজন্ম এই আধিপত্যবাদ মানে নাই। যেসব দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা বুঝবে না তারা আওয়ামী লীগের মতোই হারিয়ে যাবে।

ছত্রিশের প্রধান পৃ্ষ্ঠপোষক আবু সাদিক কায়েম বলেন, গত ১৬ বছর যে বৃহত্তর আন্দোলন হওয়ার কথা ছিল তা আমরা করতে ব্যার্থ হয়েছি। যার অনিবার্য পরিণতিতে ২০২৪ এসেছে। এই আন্দোলনে কমন গোল ও গ্রেটার পারপাজ নিয়ে সবাই এসেছিল বাম, ডান, ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, মজুর। এই আন্দোলনে অনেকে বলে ছাত্র শিবির ক্রেডিট নিতে এসেছে কিন্তু আমরা তো প্রতিটি সেকেন্ডেই আন্দোলনে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মাঠে ছিলাম।

জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক রাফে সালমান রিফাত বলেন, আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতি বুঝতে হবে৷ বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে ন্যারেটিভ তার উপর ভিত্তি করে তারা রাষ্ট্রের প্রতিটি টুলকে আওয়ামীকরণ করেছে। বাংলাদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে কলকাতা কেন্দ্রিক হিন্দুত্ববাদ। মনে রাখবেন, হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদ কিন্তু এক নয়।  হাজার বছর ধরে যখন হিন্দু মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করেছে। আরও একটি পক্ষ যারা আওয়ামী লীগের বেনিফিশিয়ারি তারাও আর্থিক ও রাজনৈতিক শক্তিকে সম্মতি দিয়েছে। মোট কথা আওয়ামী লীগ আসলে ১৬ বছর ধরে বাঙালি জাতীয়তাবাদের মধ্য দিয়ে কলকাতার হিন্দুত্ববাদের সহায়তায় ও এলিটদের সম্মতিতে দেশের প্রতিটি ক্রিয়াশীল জায়গা নষ্ট করে দিয়েছে শুধুমাত্র ক্ষমতায় থাকতে।

ভারতে বিমান দুর্ঘটনা: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নিহত
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
জোড়া ফিফটিতে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি বাংলাদেশের
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
৭ম গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ, দেখুন এখানে
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
নুর ও মামুনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নির্বাচনী কার্যালয় ভা…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
রাবি ‘বি’ ইউনিটে সেরা এমএম কলেজের ঐশী, অ-বাণিজ্যে প্রথম শুক…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
diuimage