সেলফি তুলতে গিয়ে এক ভক্তের ফোন কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলার যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়ে মুখ খুলছেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। তিনি বলেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফোনটি ভাঙ্গিনি। ভিড়ের মধ্যে তাকে (ভক্ত) সরিয়ে দিতে গেলে তার হাতের সাথে আমার হাতটি লেগে ফোনটি পড়ে যায়। পরে হয়তো ভেঙ্গেও গিয়েছে। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আজ সোমবার (১৬ নভেম্বর) রাতে ইউটিউবের লাইভে এসে এ কথা বলেন তিনি।
জানা গেছে, আইসিসির নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা সাকিব বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বেনাপোল বন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাচ্ছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান। স্বাভাবিকভাবেই তাকে সামনে দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এক ভক্ত।
সাকিবকে দেখেই তাই দৌড়ে গিয়েছিলেন ছবি তুলতে। কিন্তু না জিজ্ঞেস করে মুখের সামনে সেলফির ভঙ্গিমায় ফোন তুলতেই রেগে গেলেন সাকিব। শুধু রেগেই যাননি, সেই ভক্তের ফোন কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমালোচনা।
এদিকে, আজ রাতে ইউটিউবে লাইভে এসে সাকিব জানালেন ওই দিনের বিস্তারিত ঘটনা। তিনি বলেন, আমি কখনোই বুঝতে পারিনা যে অন্য একজনের ফোন ভাঙ্গলে তাতে আমার আসলে কি উপকার হবে। আপনারা হয়তো ভালা উত্তর দিতে পারবেন। আর যার ফোন ভাঙ্গা নিয়ে কথা হচ্ছে, তার ফোনটি আমি কখনই ইচ্ছাকৃতভাবে ভাঙ্গিনি।
তিনি বলেন, যেহেতু করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করেছিলাম। আমি সব সময় নিজেকে নিরাপদ রেখে চলাফেরার চেষ্টা করি। যেহেতু ইমিগ্রেশন অনেক ভিড় ছিল। তখন সবাই চেষ্টা করেছিল ছবি তুলতে আর আমি আমি চেষ্টা করেছিলাম কিভাবে তাদের কাছে না গিয়ে আমার কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারি।
সাকিব বলেন, স্বাভাবিকভাবে তখন একজন উৎসুক জনতা একদম আমার শরীরের উপর দিয়ে এসে ছবি তুলতে যায়। তখন আমি তাকে সরিয়ে দিতে গেলে তার হাতের সাথে আমার হাতটি লেগে ফোনটি পড়ে যায় এবং পরে হয়তো ফোনটি পরে ভেঙ্গেও গিয়েছে। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে করোনাকালীন সময়ে সবার সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।