কাজ করছে না নৈপুণ্য অ্যাপ, হাতে লিখে রিপোর্ট জমা শিক্ষকদের

০২ জানুয়ারি ২০২৪, ০৯:৩৭ AM , আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২৫, ১১:২৩ AM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © প্রতীকী ছবি

নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বিদায়ী বছরে প্রথম বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়নে অংশ নিয়েছে। তাদের মূল্যায়নের এ রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করা হচ্ছে নৈপুণ্য অ্যাপে। এ অ্যাপ থেকে শিক্ষার্থীদের রিপোর্ট কার্ড, আচরণগত ট্রান্সক্রিপ্ট (নম্বরপত্র) ও বিষয়ভিত্তিক ট্রান্সক্রিপ্ট ডাউনলোড করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু মূল্যায়নে ব্যবহৃত ‘নৈপুণ্য’ অ্যাপের কারিগরি জটিলতার কারণে এখনো ফল দিতে পারেনি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হাতে লিখে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।  

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের সুবিধার্থে এটুআইয়ের কারিগরি সহায়তায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ‘নৈপুণ্য’ অ্যাপ তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক শিখন দক্ষতা এবং দুর্বলতার বিষয়গুলো এই অ্যাপের মাধ্যমেই সংরক্ষণ করা হবে। 

জানতে চাইলে অ্যাপটির কারিগরি সহায়তা দেওয়া অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) কর্তৃপক্ষ জানায়, দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। মাউশি ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারাও একি আশ্বাস দিচ্ছে। 

জানা যায়, নৈপুণ্য অ্যাপে প্রবেশের ক্ষেত্রে কারিগরি জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষকই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও অ্যাপে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন না।

আবার কিছু প্রতিষ্ঠান অ্যাপ ব্যবহার করে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। যে কারণে কারিগরি জটিলতা পুরোপুরি ঠিক হওয়া পর্যন্ত হাতে লিখে (ম্যানুয়ালি) ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাউশি। যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা অ্যাপের মাধ্যমে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করতে পারেননি, তাদেরকে আপাতত এ নির্দেশ পালন করতে হবে।

শিক্ষকরা জানান, ১ ডিসেম্বর থেকে অ্যাপে তথ্য অন্তর্ভুক্তির কাজ শুরু হলেও এখনো শেষ করতে পারেননি। নৈপুণ্য অ্যাপের সার্ভার সিস্টেমে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে বলা হয়, সব প্রক্রিয়া ব্যস্ত। আবার অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে তথ্য এন্ট্রি করলেও তা হারিয়ে যাচ্ছে। হেল্পলাইনে ফোন দিলে সমস্যা লিখে এসএমএস পাঠাতে বলা হয়; কিন্তু এসএমএস পাঠালেও সমাধান হয় না। 

এনসিটিবি সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকরাই সমস্যার সৃষ্টি করছেন। মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যাপ কাজ না করলে ম্যানুয়ালি ফল প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে, ৩১ ডিসেম্বরের পর অ্যাপে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ব্যবহার নতুন হওয়ায় অ্যাপে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

ট্যাগ: মাউশি
বিসিবি নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা, জানালেন তামিম
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সাংবাদিকের ওপর হামলার ৭ মাস পর ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিস সময় কমাল যবিপ্রবি
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, পরিবারে শোকের মাতম
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
শেষ মুহূর্তের গোলে আর্সেনালের কষ্টার্জিত জয়
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ৫ শ্যালো মেশিন ধ্বংস
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
close