ট্রান্সফরমারের জন্য ৬৭ হাজার টাকা দাবি বিদ্যুৎ বিভাগের, দিতে না পারায় ১৫ মাস বিদ্যুৎহীন প্রাথমিকের কোমলমতিরা

১১ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ PM
চেড়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

চেড়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় © টিডিসি ফটো

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চেড়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায় ১৫ মাস ধরে বিদ্যুৎবিহীন পরিবেশে পাঠগ্রহণ করছে।বিদ্যালয়ের ট্রান্সফরমার চুরির পর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও এখনো নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়নি। ফলে তীব্র গরমে ফ্যানবিহীন শ্রেণিকক্ষে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শতাধিক শিক্ষার্থীকে।

বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন ১০ কেভিএ ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়। এরপর থেকেই বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনে প্রায় ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছে। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে এ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা গত ১৯ মে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক আবেদনে উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়াশোনা করছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

স্থানীয় অভিভাবক রফিকুল ইসলাম, সালমা খাতুনসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের ট্রান্সফরমার চুরি হলে তার ক্ষতিপূরণের অর্থ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে কেন? শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সরকারিভাবে ট্রান্সফরমার সরবরাহ করে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর দাবি জানান তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, এত গরমে শিশুরা শ্রেণিকক্ষে বসতেই পারে না। ফ্যান না থাকায় অনেক সময় তারা ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। দ্রুত সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, ট্রান্সফরমার চুরির কারণে বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলারোয়া জোনাল অফিসের এজিএম (ওঅ্যান্ডএম) মো. আমিনুর মৃধা বলেন, বলেন, ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বা প্রশাসনিক নির্দেশনা পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
সে হয়ত না ‍বুঝে করেছে—মঞ্চে বোতল নিক্ষেপ নিয়ে গায়ক হাসান
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল ক্যাম্পাস গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
‘খুনী’-আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা থাকছেন সিনেটে, বয়কটের ঘোষণা দিল…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
কনস্টেবলের মতোও লাগে না—ওসিকে যুবদল আহ্বায়ক
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
সাকিবের সব রেকর্ড মুছে ফেলুন, বিসিবিকে শফিকুল
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬