প্রশংসাপত্র ও নম্বরপত্র আটকে ২২ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৬ AM
পীরগাছার দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়

পীরগাছার দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয় © সংগৃহীত

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং একই বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান এমদাদুল হক মিলনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর প্রশংসাপত্র ও নম্বরপত্র আটকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

গত বুধবার রংপুর জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা ভ্যানচালক মোহারম আলী।

অভিযোগে মোহারম আলী জানান, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তার ছেলে দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে রংপুর সরকারি কলেজে ভর্তি হয়। ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রশংসাপত্র প্রয়োজন হলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খন্দকার ফখরুল ইসলাম তাকে লাইব্রেরিয়ান এমদাদুল হক মিলনের কাছে যেতে বলেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রশংসাপত্র নিতে গেলে লাইব্রেরিয়ান মিলন ২২ হাজার টাকা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে অভিভাবক সুদের টাকা নিয়ে প্রথম দফায় ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর প্রশংসাপত্র পান। পরে নম্বরপত্রের জন্য গেলে বাকি টাকা দাবি করা হয়। অভিযোগকারী অভিভাবকের দাবি, টাকা না দিলে নম্বরপত্র দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খন্দকার ফখরুল ইসলাম বলেন, ওই শিক্ষার্থী মূলত মিলনের কোচিংয়ের ছাত্র হওয়ায় তাকে সেখানে পাঠিয়েছেন। প্রশংসাপত্র আটকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টিকে তিনি বেআইনি হিসেবে স্বীকার করলেও নম্বরপত্র হস্তান্তর সম্পর্কে তিনি দাবি করেন, 'আমি প্রধান শিক্ষক, সার্টিফিকেট যাকে খুশি দিতে পারি। আমি যদি না দেই, কারো কিছু করার নেই। সাংবাদিকরা যা লেখার লেখেন।'

অভিযোগ বিষয়ে লাইব্রেরিয়ান এমদাদুল হক মিলন বলেন, তিনি এবং তার স্ত্রী বড়দরগাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুবি নিজ বাসায় 'বড়দরগাহ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল' নামে কোচিং পরিচালনা করেন। মিলনের দাবি, সেখানে পড়ানো শিক্ষার্থীদের পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তিনি প্রশংসাপত্র আটকে রেখেছেন। তিনি বলেন, 'এটা অপরাধ হলে হবে। এতে চাকরি গেলেও যায় আসেনা।'

স্থানীয়দের দাবি, সার্টিফিকেট জিম্মি করে অর্থ আদায় করা বিদ্যালয়টির সুনাম নষ্ট করেছে। ফলে স্থানীয় অভিভাবকরা অন্য স্কুলে সন্তান ভর্তি করতে ঝুঁকছেন। তাদের দাবি, লাইব্রেরিয়ান এমদাদুল হক মিলন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নিকট আত্মীয় হওয়ায় বিদ্যালয়ে তার প্রভাব বেশি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এমদাদুল হক মিলন ও তার স্ত্রী বড়দরগাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আগ্রহী অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করে নিজস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান এবং পরবর্তীতে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক বলেন, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক কোচিং পরিচালনা করতে পারেন না। টাকার জন্য নম্বরপত্র আটকে রাখারও কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. এনায়েত হোসেন বলেন, অভিযোগে বিষয়ে আমি নিশ্চিত হয়েছি, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

 

 

 

 

 

জবিতে ধীরগতির ইন্টারনেটে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হলি ক্রস কলেজের সিলেকশন টেস্টের আগে যেসব কাগজপত্র নিবেন
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফিলিপিন্সে ফেরিতে আগুন, পাঁচজন নিহত, নিখোঁজ অন্তত ৮৭ জন
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মহাখালীতে আগুন লাগা ভবনে রয়েছে বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে ফের দুর্বৃত্তদের হামলায় যৌনকর্মী নিহত
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9