পটুয়াখালীর দুমকিতে পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৮নং ও ৫ নং দু’গ্রামের মধ্যবর্তী ভারানী খালের ভাঙা সেতুই দু’পাড়ের বাসিন্দাসহ ৭নং মধ্য পাঙ্গাশিয়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের। সংশ্লিষ্টরা নতুন বীজ্রের আশার বাণী শুনালেও কবে নাগাদ দেখা মেলবে তা বলতে পারছেন না।
সরেজমিনে দেখাযায়, ৭নং মধ্য পাঙ্গাশিয়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আয়রনের তৈরি সেতুটির স্লিপারসহ দু’পাশের ভিমগুলো ভেঙে মাটিতে দেবে গেছে । তাই ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজটি পার হতে হয় চরম আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে, মনে হয় এই বুঝি ব্রিজটি ভেঙে পড়ল এতে পারাপারে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ দু’পাড়ের বাসিন্দাদের। সেতুটি ভেঙে নড়বড়ে হয়ে পড়ায় এই এলাকার মানুষসহ শিক্ষার্থীদের কাছে এখন সার্বক্ষণিক ঝুঁকি হয়ে দেখা দিয়েছে ।
এ প্রসঙ্গে ৭নং মধ্য পাঙ্গাশিয়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পাঙ্গাশিয়া ভারাণী খালের নড়বড়ে সেতুটি দিয়ে বিদ্যালয়ের ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীদের পারাপার হতে হয় । এতে করে যে কোন সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে শিক্ষার্থীরা। অভিবাবকদের মতো আমাদেরও ভয়ে থাকতে হয় যে, সেতু থেকে পড়ে কোন শিক্ষার্থী আহত হয় কিনা।
সেতুটি সংস্কারের ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান সিকদারকে অবহিত করা হলেও তিনি সেতুটির মেরামতের করার আশ্বাস দিয়েছেন।তিনি বলেন, পাঙ্গাশিয়া ভারাণী খালের ওপর সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। খুব শিগ্রই সেতুটির মেরামতের ব্যাবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী দিপুল কুমার বিশ্বাস বলেন, আয়রণ ব্রিজগুলো সংস্কারের প্রকল্প প্রস্তাব প্রধান প্রকৌশল অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেয়ে দ্রুততার সাথে সংস্কার কাজ আরম্ভ করা হবে।