টাঙ্গাইলের মধুপুর দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়! মনে হয় কোন চলন্ত ট্রেন; ট্রেন থেকে নামছেন যাত্রীরা। কিন্তু এ যাত্রী সে যাত্রী নয়। কোমলমতি এ যাত্রীদের গন্তব্য আলোর পথে।
এরা যেন অলোর দিশারী। বই, খাতা ও কলম হাতে দেশের ভবিষ্যতের দিকে রওনা হয়েছে এ যাত্রীরা। ঠিক ট্রেনের আদলে রং করা হয়েছে তাদের এ স্কুলটি। এটি এখন জেলার ‘ট্রেন স্কুল।’
জানা গেছে, বিদ্যালয়ের স্লিপ অনুদানের টাকায় করা হয়েছে এমন শৈল্পিক আয়োজন। প্রধান শিক্ষক তারেকুল ইসলাম নিজ হাতে রেল গাড়ির মত করেছেন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের দেয়াল।
বিদ্যালয়টি ট্রেনের মত করে রং করায় পুরো উপজেলাজুড়ে সাড়া জাগিয়েছে। নজর কেড়েছে সকলের। অনেকেই দিগরবাইদে আসেন বিদ্যালয়টি দেখতে। বিদ্যালয়টি দেখে মুগ্ধ হয়ে ফিরেন তারা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারেকুল ইসলাম বলেন, কবি শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা ট্রেন এর বাস্তব চিত্র শিক্ষার্থীদের বুঝানোর জন্যই আমি বিদ্যালয়টি ট্রেনের মত করে রং করেছি। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যাতে করে মজা পেয়ে লেখা-পড়ায় মনযোগী হতে পারে সেই চিন্তা থেকেই বিদ্যালয়টি ট্রেনের মত আকর্ষণীয় করে সাজানো হয়েছে।
মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ.এইচ.এম রেজাউল করিম বলেন, আমাদের বিদ্যালয় আমরা গড়ব স্লোগানে বিদ্যালয় আকর্ষণীয় করে সাজাতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ওই বিদ্যালয়টি রং করে ট্রেনের আদলে করা হয়েছে।