সিপিডির জরিপ

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ নেই

২৫ জুন ২০২৩, ০১:৫৭ PM , আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১২:১৮ PM
সেন্টাল ফর পলিসি ডায়ালগের আলোচনা সভা

সেন্টাল ফর পলিসি ডায়ালগের আলোচনা সভা © সংগৃহীত

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ নেই বলে জানিয়েছে সেন্টাল ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি)। রবিবার (২৫ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে সিডিপির আয়োজনে ‘প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারি বিনোয়োগ : স্থানীয় অভিজ্ঞতা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভার গবেষণা জরিপে এসব তথ্য জানানো হয়।

গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিডিপির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান। জরিপে বলা হয়েছে বর্তমানে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের গড় সংখ্যা ৬ জন। যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১: ২৯ জন।

এছাড়াও জরিপে ৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪টি বিদ্যালয়ে ৫টির কম শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে আটটি বিদ্যালয়ে পাঁচটির বেশি শ্রেণিকক্ষ রয়েছে এবং বাকি আটটি বিদ্যালয়ে পাঁচটি করে শ্রেণিকক্ষ রয়েছে।

সিপিডি সম্প্রতি গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও এবং নীলফামারী জেলায় স্থানীয় তরুণ নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার ওপরে স্থানীয় প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অংশগ্রহণে তিনটি সামাজিক নিরীক্ষা পরিচালনা করেছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের মোট ৪০৮ জনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিগত পাঁচ বছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বাজেট ও জিডিপির তুলনায় বরাদ্দ কমানো হয়েছে বলে উঠে এসেছে জরিপে। এতে বলা হয়েছে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এই মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ছিল মোট বাজেটের ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। ২০২৩-২৪ কত বছরের বাজেটে তা কমিয়ে আনা হয়েছে ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের শেষ ধাপের আবেদন শুরু

এছাড়াও মোট সরকারি ব্যয়ের একটি অংশ হিসাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ হয়েছে।

এই ৫ বছরে জিডিপির তুলনায়ও বরাদ্দ কমেছে। এই মন্ত্রণালয়ে জিডিপির তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৬৯ শতাংশ। জিডিপির অংশ হিসাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ছিল ০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে কমে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে ক্রমান্বয়ে যথাযথ সুযোগ সুবিধা সহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ করা দরকার। এছাড়াও প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা বাড়ানো এবং প্রতিটি শিক্ষককে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা দরকার বলেও জোর দাবি করেন।

বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসে মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার নিয়োগে বিজ্…
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবসে চট্টগ্রামে জনসচেতনতায় একযোগে চিকিৎসক-শ…
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬
দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার যে ক্ষতি করেছে, তা বর্ণনা করে শে…
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭…
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৩৯ কর্মকর্তা-কর্মচার…
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬
স্বাস্থ্যের সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরিতে তিন…
  • ১৬ অক্টোবর ২০২৬