বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি নেই, করোনা আতঙ্ক ভর করেছে

© ফাইল ফটো

করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। দেশে ইতোমধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে আর আক্রান্ত হয়েছে ২৪ জন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ হলেও চলছে বেরোবির সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম। করোনাভাইরাসের আতঙ্ক বিরাজ করছে বেরোবির শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনাভাইরাস তো শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়। আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছি তাদের জন্যেও তো এর আতঙ্ক আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপাদান হচ্ছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী এখন ক্যাম্পাস ছেড়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। যেহেতু শিক্ষার্থীদের নিয়েই আমাদের কাজ তারা বাড়িতে থাকলে আমাদেরও ছুটি হওয়া উচিৎ।

কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি নুর আলম জানান, আমাদের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে এনিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেখানে করোনা ভাইরাস নিয়ে সবাই আতঙ্কিত সেখানে কর্মচারীরা কেন বাদ যাবে? উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার না থাকায় আমরা এ বিবষয়ে কথা কথা বলতে পারিনি। তবে আমরা চাই অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো আমাদেরও যেন ছুটির ব্যবস্থা করা হয়। এ ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য আমরাও বাড়িতে থাকতে চাই।

ছুটির বিষয়ে কর্মকর্তা এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ফিরোজুল ইসলাম বলেন, ছুটির বিষয়ে আমি উপাচার্য স্যারের সাথে ঢাকায় দেখা করে কথা বলেছিলাম। যেখানে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ সেখানে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রেখে লাভ কি? তখন স্যার বলেছেন, আগামী ২৪ মার্চের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে। আগামীকাল রবিবার আমরা কর্মকর্তা এ্যাসোসিয়েশন একটা মিটিং করে ভিসি স্যারকে লিখিত আকারে জানাবো।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু কালাম মো. ফরিদ-উল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ। তাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে তাদেরকে নিজ বাড়িতে অবস্থান করার কথা বলা হয়েছে। এখন আমাদের বিষয়টা আছে। কারো জ্বর-সর্দি-কাশি হলে তাকে কর্মস্থলে না যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সবার বিষয়ে সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যা সিদ্ধান্ত দিবে তাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের ছুটি হবে কিনা-এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সরিফা সালোয়া ডিনা বলেন, আগামীকাল রবিবার এ মর্মে একটি সরকারী প্রজ্ঞাপন হতে পারে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে। আপাদত বিষয়টা আমাদের অবজারভেশনে আছে। প্রজ্ঞাপন হলেই আমরাও ছুটির সিদ্ধান্ত নেব।

বুটেক্সের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৮ মার্চ, উপস্থিত থাকতে রাষ্ট্রপ…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আ…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বাউফলে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ শোভাযাত্রা
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে শাহবাগে গণবিক্ষোভে নামছে এনসিপি
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১৮
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ডি থ্রি ট্রফির নিলামে প্রথম ধাপ শেষে কোন দলে কোন ক্রিকেটার
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬