© সংগৃহীত
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তৈরি করল হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র ফর্মুলা অনুসরণ করে চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ‘হ্যান্ডিসন’ নামের এ হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করেছে। এটি কয়েকদিনের মধ্যেই বাজারে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছেন রসায়ন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. নূ ক ম আকবর হোসেন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় হল, সাবান দিয়ে দিনে কয়েকবার ভালো করে হাত ধোয়া অথবা হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাখা। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ার পর বাজারে হঠাৎ করে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সংকট দেখা দেয়। নগরীর প্রায় প্রতিটি ফার্মেসি থেকে বলতে গেলে উধাও হয়ে গেছে এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
সংকটময় এই মূহুর্তে এগিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ক্রেতার চাহিদা মেটাতে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের আজ বৃহস্পতিবার তাদের ল্যাবে তৈরি করছেন ১৮০ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
কলেজের রসায়ন বিভাগের ডির্পামেন্টাল ডিন অধ্যাপক ড. নূ. ক. ম. আকবর হোসেন জানান, সংকটের কারণে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে ১৮০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করেছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফর্মূলা যথাযথভাবে অনুসরণ করে আমাদের ছাত্র ও শিক্ষকদের ব্যবহার করার জন্য এগুলো বানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছে ‘হ্যান্ডিসন’ নামের এই স্যানিটাইজারের গুণগত মান ঠিক আছে। আশা করছি, আমাদের ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে তৈরি এই ‘হ্যান্ডিসন’ হ্যান্ড স্যানিটাইজারটি অন্তত চট্টগ্রামের মানুষদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।
কলেজের রসায়ন বিভাগের ছাত্র সুব্রত পাল বলেন, হ্যান্ডিসন তৈরি প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন আমাদের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নূ ক ম আকবর হোসেন ও শিক্ষক ড. কনক কুমার বড়ুয়া, ড. আজাদ হোসেন, শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, আকরাম হোসেন। আমরা ‘হ্যান্ডিসন’এর গায়ে লেবেল হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর ফর্মূলা অনুযায়ী তৈরি এ কথাটি সংযুক্ত করেছি।
সুব্রত পাল আরও বলেন, শিক্ষার্থী টিমে ছিলেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, আরমান চৌধুরী, শিহাব উদ্দিন ও মোহাইমিনুল ইসলাম মিশকাত।