মুজিববর্ষে মোদিকে চায় না জবি শিক্ষার্থীরা

০১ মার্চ ২০২০, ০৪:৫৪ PM

© সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ না করার দাবি জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থীরা।

আজ রবিবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে শান্ত চত্বরে এসে মিছিলটি শেষ হয়। এসময় বক্তারা বলেন, মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আনা হলে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করা হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সোহান বলেন, ভারতে এরকম একটা সাম্প্রদায়িক হামলার পরেও অসাম্প্রদায়িকতার বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীতে যদি মোদিকে আনা হয় তাহলে ছাত্র সমাজ অবশ্যই কথা বলবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তৌসিব মাহমুদ সোহান দিল্লিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে-বিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার প্রসঙ্গে বলেন, বলা হচ্ছে মোদীকে আমন্ত্রণ না জানালে ভারতের সাথে অকৃতজ্ঞতা করা হবে৷ আমরা বলি নাই ভারতকে বাদ দিতে। কিন্তু যে মানুষের হাতে মুসলমানদের রক্ত লেগে আছে সে মোদীকে বাদ দিতে হবে৷ মোদীকে যদি এদেশে আনা হয় তাহলে ছাত্রসমাজ এর জবাব দেবে।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সহ-সভাপতি সুমাইয়া সোমা বলেন, দিল্লিতে মুসলমানদের উপর যে হামলা করা হয়েছে এর জন্য মোদীকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। শুনেছি মুজিববর্ষে সাম্প্রদায়িক মোদীকে প্রধান অতিথি করে আনা হবে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। তার ঠাঁই হবে না অসাম্প্রদায়িক বাংলায়।

সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি রাইসুল ইসলাম নয়ন বলেন, দিল্লির হামলার প্রতিবাদ না করলে হত্যাযজ্ঞ চলতেই থাকবে। মোদী ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। এ রাজনীতির বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সারাবিশ্বে ধর্ম নিয়ে যে দাঙ্গা হচ্ছে তা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নয়, এগুলো রাজনৈতিক ইন্ধনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলায় যদি মোদীকে আনা হয় তাহলে বঙ্গবন্ধু ও তার কাজকে অপমান করা হবে। আমরা এর কঠোর প্রতিবাদ করব। যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছে তাদের আনা হোক, তাহলে প্রতিবাদ নয় সাধুবাদ জানাব।

এদিকে মুজিববর্ষের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের আমন্ত্রণ হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের খবরের পর সমালোচনার প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারতকে আমন্ত্রণ না জানালে কৃতঘ্নতার পরিচয় দেওয়া হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল কবে, যা বলছে কর্তৃপক্ষ
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
কবে প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা? জানাল ইসি
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে পানি-বিদ্যুতের অপচয় রোধে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মস…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ—এখন কী হবে?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটের সময় কী হয়েছিল?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
৪ সিটি কর্পোরেশনে বিশেষ গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬