জাবি উপাচার্যকে বোরকা পরে পালাতে হবে: মান্না

০৬ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৫৫ PM

রাতের অন্ধকারে বোরকা পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে পালাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, এখন যারা ক্ষমতায় আছেন তারা সব বলে বেড়াচ্ছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান করছেন। তাহলে শুদ্ধি অভিযানের শুরুতে তো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর চাকরি চলে যাওয়া উচিত। তাহলে যাচ্ছে না কেন?

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ওপর ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনে নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নামকরা, এরা এক একটা টেন্ডারবাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের গুন্ডা কারা, তাকে রক্ষা করতে যায় কে? যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের গুন্ডারা।

মঙ্গলবার জাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ওপর ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে সেটা আমরা আপনারা দেখেছেন। অভ্যুত্থান মানে কি সেটা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জানেন না। অভ্যুত্থান উনি দেখেন নাই। সেটার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে জনতার অভ্যুত্থানকে নিয়ে অপমান করেছেন। কয়েকজন গুন্ডা গিয়ে অন্তত ৪ জন শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করেছে। অনেক ছাত্রদের আহত করেছে। তারপরে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি যদি বলেন, এটা ছাত্রদের অভ্যুত্থান। তাহলে এর চেয়ে লজ্জার কোনো ব্যাপার থাকে না।

মান্না বলেন, গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের চাকরি যায় না। সবাই দাবি করছে, কিন্তু তার চাকরি যায় না। অবশেষে ছাত্ররা এমন সর্বাত্মক আন্দোলন করলো যে, তাকে রাতের আধারে পালিয়ে যেতে হয়েছে। অপেক্ষা করেন, জাহাঙ্গীরনগরের এই ভিসিকে রাতের অন্ধকারে বোরকা পরে পালিয়ে যেতে হবে সেদিন বেশি দূরে নয়।

এই সরকারের কাছে বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদ নয় দাবি করে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে আবরার নিরাপদ নয়। আপনাদের কাছে তনু, তিশা, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপালের মত শিক্ষকরা নিরাপদ নয়। কখন মনে হয় আপনাদের পান্ডারা হাত-পা বেঁধে পানিতে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলবে আমাদের জীবন নিরাপদ। অতএব বাঁচতে চাই বলে অবিলম্বে আপনাদের পদত্যাগ চাই।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন চলছে। এরই প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা মানছেন না শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ছেলেদের আটটি হলের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী হল ছেড়ে যাননি। রাতে ছাত্রীরাও হলের তালা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন অমানুষদের জায়গা: বিএনপির এমপি ফজলুর …
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বজুড়ে বাড়ছে তাপমাত্রা, গর্ভবতী নারীদের বড় দুঃসংবাদ দিলে…
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক পদে প্রার্থী ৭ জন, কে কো…
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণের…
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
‘শিক্ষার্থীরা কেন সরকারি বিদ্যালয় ছেড়ে যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখত…
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রার্থনা, ভক্তি আর উৎসবের আবহে শেষ হলো বারোমারীর তীর্থোৎসব
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬