আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করব না: জাবি ভিসি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:০৬ PM

© টিডিসি ফটো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) উন্নয়ন ও দুনীতির অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগ দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এর জন্য আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন আন্দোলনকারীরা। তবে শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করবেন না বলে তিনি জানিয়েছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীরা পদত্যাগ দাবি করেছেন। কিন্তু আমি চাইলেই তো আর পদত্যাগ করতে পারিনা। তাদের পদত্যাগের দাবিতেও যদি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে এখানে থাকার নির্দেশ দেন তাহলে আমাকে গালমন্দ খেয়েও থাকতে হবে। আলোচনার দ্বার আর খোলা নেই। এই অর্থে যে তারা আর আলোচনা চাইছেন না।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি একথা জানান।

এর আগে গত ১২ই সেপ্টেম্বর প্রশাসনের সাথে আন্দোলনকারীদের আলোচনায় দুটি দাবি মেনে নেওয়া হলেও বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য প্রশাসন তিন কর্মদিবস সময় নেয়। এবং বুধবার (আজকে) এ আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মাঝে ছাত্রলীগ নেতাদের ফাঁসকৃত ফোঁনালাপে ভিসির আর্থিক দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

শোভন-রাব্বানীর পদত্যাগ ইস্যু নিয়ে ফারজানা বলেন, আমি রাব্বানী এবং শোভনের পতনের কারণ না। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আগেই জমা হয়ে গিয়েছিলো। আমার ঘটনাটি এখানে সংযোজিত হয়েছিলো। তারা আমাকে বলেছিলো আপনি কেন আগে বলেননি? কোন প্রশাসনই ভিতরের সব কথা সবসময় বলেন না। আমরা যখন যেখানে জানানোর দরকার সেখানে জানিয়েছি।

উপাচার্য বলেন, তারা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা শেষে একটা জায়গাতেই আসলেন। সেটা হলো- আমি বিচার বিভাগীয় তদন্ত করাবো কিনা। আমি তো আমার বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন করতে পারি না। আমি ইউজিসিকে জানিয়েছি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি, প্রধানমন্ত্রী তো জানেনই। আমি আইন বিশেষজ্ঞেরে অভিমত নিয়েছি। সেই অভিমত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্টের ১২ ধারা অনুযায়ী আমি কি পারি, কি পারি না তা বলা আছে। সেটা অনুযায়ী আমি বিভিন্ন তদন্ত কমিটি করতে পারি, চাইলে তদন্ত কমিটিতে হস্তক্ষেপও করতে পারি। কিন্তু আমি আমার নিজের সম্পর্কে কোন বিচার করতে পারি না। তাহলে আমাকে আচার্য কিংবা ইউজিসির কাছে যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেকহোল্ডার তো শুধু তারাই নন। এর বাহিরেও অনেকেই আছেন। যদি সবাই মনে করেন আমি নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। উপাচার্য হিসেবে আমার এটুকু সুযোগ আছে নিজেকে পরিচ্ছন্ন করার। সেটা আমি ইউজিসিকে বলবো যেন তারা একটা তদন্ত করেন। তদন্ত চলাকালীন সময়ে আমাকে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হবে কিনা তা আমি বলতে পারিনা। সেটা বলবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।

উপ-উপাচার্যের মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, আমি তো কারো মুখ বন্ধ করে রাখিনি। আপনারা প্রশ্ন করছেন। আমি তো উত্তর দিচ্ছি।

৪ শতাধিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবিরের গণ…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ড্যাফোডিলের অধ্যাপক ড. এম এ রহিম পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ইকরার সঙ্গে ৪৪ ব্যক্তিগত চ্যাট প্রকাশ করলেন তিথি
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
দুঃখ প্রকাশ হাসনাত আব্দুল্লাহর
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ছাত্রদলের গণ ইফতার: খাবার না পেয়ে ফিরে গেলেন শিক্ষার্থীরা
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
স্কলারশিপ নিয়ে পড়ুন দক্ষিণ কোরিয়ায়, আবেদন স্নাতকোত্তর-পিএই…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬