ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি © টিডিসি ফাইল ছবি
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলরের (ভিসি) দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করে আগামীকাল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করা, ২০২১-২২ সেশন থেকে সব সেশনকে ধারাবাহিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে একাডেমিক রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সাতটি সংযুক্ত কলেজের যেকোনো একটিতে প্রশাসনিক ভবন চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এসব কর্মসূচি ও দাবি জানান ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থীরা।
বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ সেশনের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সাথে জানাচ্ছি যে, ভাইস চ্যান্সেলর কর্তৃক ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রদত্ত বিবৃতিটি আমাদের প্রত্যাশা ও ন্যায্য দাবির পরিপন্থী এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। এই বিবৃতি শিক্ষার্থীদের কণ্ঠরোধের প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা এই বিবৃতিকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।’
তারা জানান, ২০২১-২২ সেশন থেকেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে স্কুলিং মডেলে রূপান্তর করতে হবে এবং এতে সব সেশনকে ধারাবাহিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে পুরোনো প্রথা, জটিলতা ও বিলম্বিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অবসান করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, অতিদ্রুত সাতটি সংযুক্ত কলেজ ক্যাম্পাসের যেকোনো একটিতে প্রশাসনিক ভবন চালু করে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সব শিক্ষা, প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা আগামীকাল সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে নিয়ে ভিসির বিবৃতি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন। এ সময় ৪ দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে অবিলম্বে স্কুলিং মডেলে রূপান্তর করা; ২০২১-২২ সেশন থেকে সব সেশনকে ধারাবাহিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে একাডেমিক রোডম্যাপ ঘোষণা করা; দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাতটি ক্যাম্পাসের যেকোনো একটিতে প্রশাসনিক ভবন চালু করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষা, প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু করা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব। শিক্ষার্থী ঐক্যবদ্ধ, আন্দোলন অব্যাহত— দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে।’