চবির ৩৩২ কোটি টাকা বাজেট, গবেষণা খাতে রেকর্ড বরাদ্দ

© টিডিসি ফটো

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (বিমক)। তবে চাহিদা অনুযায়ী বাজেট না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা ও বাস্তবতা বিবেচনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে নূন্যতম ৩৩৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের বিবেচনায় রাখার জন্য বিমক বরাবর পেশ করা হবে।

শনিবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ আর মল্লিক ভবনের সভাকক্ষে চবির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের সভাপতিত্বে চবির ৩১ তম বার্ষিক সিনেট সভায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ও ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়।

এর আগে গত ২৭ জুন ফিন্যান্স কমিটি (এফসি) ও সিন্ডিকেটের ৫৫তম যৌথ সভায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩৩৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। একই সভায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ৩৩৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়।

পেশকৃত বাজেটে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে ২৫৪৯৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য গড়ে ব্যয় হয়েছে ১,৩১,১৪৬ টাকা। সেই হিসেবে ২০১৯-২০ অর্থবছরে শিক্ষার্থী প্রতি গড়ে ১,৩৩,০৩২ টাকা ব্যয় হবে।

এদিকে বরাবরের মতই শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বেতন ভাতায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবারের বাজেটে। এতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২১২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। যা মোট বাজেটের ৬২.৭১ শতাংশ। তবে গবেষণা খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭৫ লাখ টাকা বাজেট থাকলেও এবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। যদিও এটা মোট বাজেটের ১.২৪ শতাংশ।

এদিকে পরিবহন খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট ছিলো ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সেটা ১৫ লাখ বৃদ্ধি করে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে।

পরিকল্পনা ও উন্নয়নে খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট ৫৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা থাকলেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে সেটা কমে ৩৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা অনুমোদন পেয়েছে।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা থাকলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বেড়েছে ৯১ লাখ টাকা।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্য পরিচালনা এবং উচ্চ শিক্ষার মান উন্নয়ন সহায়ক রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাজস্ব খাতে উচ্চ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা খাতে ৮ কোটি ৪৬.৯৫ লাখ টাকা ছিলো। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সেটা বেড়ে ১২ কোটি ৪০.৫৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একাডেমিক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

এদিকে চবির ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স এন্ড ফিশারিজ এর গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির খাতে ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে যথাক্রমে ২ কোটি ১৩.৫০ লাখ ও ২ কোটি ১৩.৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপরোক্ত উচ্চ শিক্ষা প্রশিক্ষণ, গবেষণা খাত, উন্নয়ন খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সর্বমোট ১০ কোটি ৮৬.৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিলো। চলতি বছর তথা ২০১৯-২০ অর্থবছরে উল্লেখিত খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ৩ কোটি ৬৭.৪০ লাখ টাকা। যার সর্বমোট পরিমাণ ১৪ কোটি ৫৩.০৫ লাখ টাকা।

সভাপতির বক্তব্যে চবির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড.শিরীণ আখতার তার বক্তব্যে বলেন, আমি চারটি মৌলিক বিষয়কে কেন্দ্র করে কাজ করার চেষ্টা করবো।
১- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত ও গতিশীল রাখার চেষ্টা করবো।
২- একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনা দর ক্ষেত্রে সততা, ন্যায় নিষ্ঠা এবং ন্যায্যতাকে অগ্রাধিকার দিবো।
৩- আমার দায়িত্বকালীন সময়ে চবব প্রশাসন কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না।
৪- বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পলিসি সমন্বয় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বচ্চ চেষ্টা করবো।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত), সিনেট সদস্যবৃন্দ, সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও প্র…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আইইউবি ও দৃষ্টি চট্টগ্রাম আয়োজিত ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিত…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিইউবিটির রিসার্চ উইক ২০২৬: উদ্ভাবনা ও গবেষণায় উৎকর্ষের সম্…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভাঙা ও পরিত্যক্ত টেবিলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়েছে কুবিতে ভর্…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১২ তারিখ দেশের জনগণ চাঁদাবাজ ও নারী নিপীড়কদের লালকার্ড দেখা…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ১০ম ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ফেয়ার উদ্বো…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬