জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এক বছরের বিএড কোর্স তিন বছরে, ফল না পেয়ে হতাশ শিক্ষার্থীরা

০৪ মে ২০২৬, ০৪:২৩ PM
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি সম্পাদিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রায় ৯০টি বিএড কলেজের ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এক বছর মেয়াদি কোর্স হলেও তা শেষ হতে প্রায় তিন বছর সময় লেগে গেছে। তবু এখনো চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তারা এক বছর মেয়াদি বিএড কোর্সে ভর্তি হন। নিয়ম অনুযায়ী কোর্সটি এক বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ধাপে ধাপে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার কারণে এটি দীর্ঘায়িত হয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হলেও প্রায় ছয় মাস পার হয়ে গেলেও এখনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চূড়ান্ত ফল ও সনদ প্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং চাকরিগত সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

বারহাট্টা এ কে খান দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘এক বছর মেয়াদি কোর্স তিন বছরে গড়ানো আমাদের জন্য চরম হতাশাজনক। ফলাফল না পাওয়ায় আমরা বিএড স্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছি এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’

মুন্সিগঞ্জ সদরের বজ্রযোগিনী জয়কালী উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আল-আমিন বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে দুই বছরের ইনক্রিমেন্ট হারিয়েছি। দ্রুত ফলাফল না পাওয়ায় চাকরিতে পিছিয়ে পড়ছি এবং মানসিক চাপ বাড়ছে।’

মুন্সিগঞ্জের কলমা লক্ষ্মী কান্ত হাইস্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসাইন বলেন,
‘দীর্ঘ সময় ফলাফল না পাওয়ায় আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। পেশাগত উন্নয়ন থমকে গেছে।’

নারায়ণগঞ্জের ফাতেমা রহমান টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বিএড ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ফলাফল না পাওয়ায় আমরা মানসিক চাপে আছি। দ্রুত রেজাল্ট প্রকাশ না হলে আমাদের চাকরি ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।’

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, একই ধরনের কোর্স অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সময়মতো সম্পন্ন ও ফলাফল প্রকাশ করা হলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে।

এদিকে শিক্ষকরা বলছেন, বিএড ডিগ্রি সম্পন্ন হলে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার সুযোগ থাকলেও ফলাফল বিলম্বের কারণে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং চাকরিতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করে এই দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনের জোর দাবি জানিয়েছেন।

‘গার্লফ্রেন্ড কালচার’ নিয়ে বিব্রত বিসিসিআই
  • ০৪ মে ২০২৬
গবেষণায় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষে নোবিপ্রবি
  • ০৪ মে ২০২৬
১০০–১৪০% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ ছিল পে কমিশনের, পর্যালোচনায় ন…
  • ০৪ মে ২০২৬
গ্রামের বাড়িতে লিমনের লাশ, মাগরিবের পর শেষ বিদায়
  • ০৪ মে ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের ২ রেমিট্যান্স গ্রাহক পেলেন গিয়ার বাই-সাইকেল
  • ০৪ মে ২০২৬
বিনিয়োগ আকৃষ্টে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজের নির্দেশ প্র…
  • ০৪ মে ২০২৬