প্রতীকী ছবি ও জবির লোগো © টিডিসি সম্পাদিত
ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদ আল হাসান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যরাতে মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে মাহমুদ আল হাসান বলেন, রীতিমতো অলৌকিক ঘটনা ঘটলো দশ মিনিট আগে। এই ধরনের ঘটনার কথা সাধারণত শোনা যায় না। নিজের সাথে না ঘটলেও হয়ত বিশ্বাস করা দুঃসাধ্য ছিলো। একটু আগে আমি আর সিজান শাহবাগ থেকে রিকশা করে আসতেছি। উঠি সময়ই বলছি এলাকা ভালো না, ফোন পকেটে রেখে দাও। যেই শঙ্কায় বলা সেই ঘটনাই ঘটলো।
রিকশা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের এ পাশে রমনার সাইটে যেখানে আলো কম সেখানে আসতেই পিছন থেকে এক বাইক এসে সিজানের হাত থেকে দুহাতে টেনে ফোন নিয়ে গেল। দুইজন মিলেও ধরে রাখতে পারলাম না।
একদম পিনপতন নীরবতা। ভাবতেই পারছিলাম না যে এইমাত্র ঢাকার রাস্তায় ছিনতাই এর স্বীকার হলাম। শেষ চেষ্টা হিসেবে অটোচালিত রিকশাকে যত জোরে পারা যায় চালাতে বললাম। শেষ চেষ্টা আরকি। বাইক ছিল R15, রিকশার সাথে গলার আওয়াজ ভরসা। এইরকম একটা বাজে ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে গেলাম।
হঠাৎ করে দেখি সিগনাল এর আগে বাইকটা আরেকজনকে ওভারটেক করতে গিয়ে রোড ব্যারিকেডে এক্সিডেন্ট করে পরে গেছে। এইবার পায় কে! ছিনতাইকারী দেখি ঠেলে ঠেলে বাইক নিয়ে যাবার চেষ্টা করতেসে।
রিকশাওয়ালা চালাকি করে একদম বাইকের সামনে গিয়ে থামায়। পুরো রাস্তায় কোন গাড়ী নেই,শুধু আমি আর সিজান।প্রথমেই ফেরত দিয়ে দেবার রিকুয়েষ্ট করতেই হাতে থাকা হেলমেট আর কি জানি দিয়ে আঘাত করতে আসে।ইতোমধ্যেই আশেপাশে মানুষের আসার আভাস পেয়ে ফোন দিয়ে সরি বলে বাইক ঠেলে চলে যায়।
ছিনতাই হওয়া ফোন এক মিনিটের মধ্যে ফেরত পেয়ে গেছি! তাও ঢাকার রাস্তায়। কল্পনাই করতে পারতেসিনা। আল্লাহর কাছে শতসহস্র শুকরিয়া কোন ধরনের রেজিস্টেন্স, আঘাত ছাড়া ঘটনার সমাপ্তি ঘটেছে। অলৌকিক না বৈ কি?