কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় © সংগৃহীত
জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রতিদিন অনির্দিষ্টকালীন সময় ধরে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোয় ঠিকমতো পড়াশোনা, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ক্লাস চলাকালীন বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে যথাযথভাবে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আঞ্চলিক বিদ্যুৎ স্টেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে লোডশেডিং কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহমুদ বিন নাসিম (ছদ্মনাম) বলেন, ‘প্রতিনিয়ত লোডশেডিং হওয়ায় পড়াশোনা, একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে আমরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। অনেকেরই সেমিস্টার ফাইনাল, মিড, প্রেজেন্টেশন, অ্যাসাইনমেন্ট থাকে। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিকতার যুগে বিদ্যুৎ না থাকলে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায় না। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় একটি নির্দিষ্ট টাইমে লোডশেডিং হয়। অথচ আমাদের ক্যাম্পাসে সময়ে-অসময়ে লোডশেডিং হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ইলেক্ট্রিক্যাল) ইঞ্জি. মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা রেজিস্ট্রার দপ্তরের মাধ্যমে কুমিল্লার পিডিবি প্রধানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছে।’
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. হায়দার আলী বলেন, ‘আমরা কুমিল্লা স্টেশনের প্রধানের সঙ্গে মিটিং করেছি এবং তাদের অফিশিয়ালি চিঠি দিয়েছি। তবে জাতীয় সংকটের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা নির্দিষ্ট একটি সময়ে লোডশেডিংয়ের জন্য বলব। যে সময়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ও পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটবে না এ রকম একটা সময়কেই আমরা প্রাধান্য দেব।’