জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর বিশ্বদ্যিালয়ের ডাব বিক্রির হিসাব নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ট্রল করেন শিক্ষার্থীরা। এরপরই নিলামে ডাব বিক্রির হিসাব দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয় প্রশাসন।
আজ রবিবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জবির অভ্যন্তরে অবস্থিত ৯টি নারিকেল গাছ পরিষ্কার করার সময় কিছু ডাব ও শুকনো নারিকেল পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে সেগুলো খোলা নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
এই নিলাম থেকে মোট ৪ হাজার ৬০০ টাকা আয় হয়, যা ২৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি-এর মাধ্যমে জবির বিশেষ তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে। জমা দানের প্রমাণ হিসেবে ব্যাংকের রশিদ নম্বর ৮২৮১৯২ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশা করে, এ তথ্য জানার পর সংশ্লিষ্ট বিভ্রান্তি দূর হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের গুজব ছড়ানো থেকে সবাই বিরত থাকবেন।
জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সেসময় তিনি বলেন, ‘জকসু নিয়ে আমার কোন দায়বদ্ধতা নেই। এ নিয়ে আমি কোনো কিছু জানি না। জকসু নিয়ে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি আগ্রহী নই।’
এ ছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাধিকবার অসৌজন্যমূলক ও অপমানজনক আচরণের অভিযোগে রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে আজ রবিবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক পদে থাকা ব্যক্তিদের উচিত সর্বোচ্চ ধৈর্য, পেশাদারিত্ব ও সৌজন্যবোধ বজায় রাখা। কিন্তু রেজিস্ট্রার বারবার সেই সীমারেখা লঙ্ঘন করছেন।