এবার তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামছেন জবি শিক্ষার্থীরা

০১ নভেম্বর ২০২৪, ০২:১০ PM , আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৫, ১২:১০ PM
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় © ফাইল ফটো

রাজধানীর কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামছেন জবি শিক্ষার্থীরা। আগামী সোমবার থেকে এ আন্দোলন শুরু করবেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে৷

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো স্বৈরাচারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজ প্রজেক্ট ডিরেক্টরকে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং সাত দিনের মধ্যে প্রজেক্ট ডিরেক্টর (পিডি) হিসেবে সেনাবাহিনীর দক্ষ অফিসার নিয়োগ করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সেনাবাহিনীর হাতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তর ঘোষণা, হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রদান এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হলের কাজ শুরু করা।

অবিলম্বে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাকি ১১ একর জমি অধিগ্রহণের ব্যবস্থা নিতে হবে এবং পুরাতন ক্যাম্পাস নিয়ে স্বৈরাচার আমলে করা সব অনৈতিক চুক্তি বাতিল করতে হবে।

আরও পড়ুন: জবিতে ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার করে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সোহান প্রামাণিক বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে পরবর্তী সময়ে জগন্নাথের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মিলে জবি থেকেই ভিসি নিয়োগের জন্য আন্দোলন করেছিলাম।আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল, জবি থেকে ভিসি হলেই জবিয়ানদের অধিকার আদায় আপনা আপনিই হয়ে যাবে। জবি থেকে  ভিসি নিয়োগ হলো অথচ আমাদের যৌক্তিক দাবিকে বারবার মুলা দেখিয়ে আসছে জবি প্রশাসন।  প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রাণের দাবি দ্বিতীয় ক্যম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা। অথচ দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের মেয়াদ ছয় বছর হয়ে গেছে এখনো ভূমি অধিগ্রহণের কাজই শেষ হয়নি। তা ছাড়া নতুন ভিসি আসার পরেও দ্রুত কাজ শুরুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ দেখিনি। অধিকার আদায়ে রাজপথেই যখন শেষ ভরসা, আমরা আমাদের আধিকার রাজপথেই আদায় করে নেব ইনশাআল্লাহ। দ্বিতীয় ক্যম্পাসের কাজ যত দিন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরের নীতিমালা প্রণয়ন হচ্ছে তত দিন আমরা রাজপথে আছি।’

আরও পড়ুন: জবি শিবিরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ

আরেক শিক্ষার্থী তৌসিব মাহমুদ সোহান বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের মেয়াদ ছয় বছর হয়ে গেলেও এখনো ভূমি অধিগ্রহণের কাজই শেষ হয়নি। সরকার পরিবর্তন হলেও এসব কাজে জড়িত যে কর্মকর্তা ছিলেন, তারা এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তা ছাড়া নতুন ভিসি আসার পরও দ্রুত কাজ শুরুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ দেখিনি। এ জন্য আমার মনে হয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে গেলে দ্রুতই ক্যাম্পাসের কাজ শেষ হবে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে রাজধানীর কেরানীগঞ্জে ২০০ একর জমিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের ঘোষণা দেয় সরকার। এরপর সাত বছর পার হলেও কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। দ্রুত দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়নের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে কাজ হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

‘নির্বাচনে মারণাস্ত্র ব্যবহার করবে না বিজিবি’
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হবে গণভবনের পাশেই
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
শক্ত ঘাঁটির দুই আসনে বিএনপির উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিদ্রোহী প্রার…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
কুবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ, প্রশ্নপত্র দেখুন
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জের ৪ রোভারের হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ শুরু
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনে জিতলে কী করবেন, ৯ পয়েন্টে ইশতেহার দিলেন নুর
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬