মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজুয়ান আহমেদ শুভ্র © সংগৃহীত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী হেনস্তার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন ও তদন্তে মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজুয়ান আহমেদ শুভ্রর নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাজন সাহার পাশাপাশি বিভাগীয় প্রধান রেজুয়ান আহমেদ শুভ্রর বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. আতাউর রহমানকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক, ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ ও সিন্ডিকেট সদস্য ড. এ কে এম আব্দুর রফিককে তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান।
তবে তদন্ত কমিটিকে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে না দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের দাবিতে উল্লেখ করা ছিল তদন্তে রেজুয়ান আহমেদ শুভ্রর নাম অন্তর্ভুক্তি ও সকল দায়িত্ব থেকে অপসারণ এবং পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত বাস্তবায়ন। কিন্তু শুধু রেজুয়ান আহমেদ শুভ্রর নাম অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে নতুন তদন্ত কমিটিতে। আমাদের দাবি না মেনে নিলে আরও কঠোর আন্দোলন হবে।
এর আগে দুপুরে জুমার নামাজ শেষে জয় বাংলা চত্বরের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় সাজন সাহাকে সাময়িক বহিষ্কার করে তদন্ত পরিচালনা ও অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বিচারের দাবি জানান তারা।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্ত শিক্ষকদের বহিষ্কার চেয়ে আবারো প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। এরপর পূর্বের ৬ দফা দাবির সঙ্গে আরও ৫ দফা যুক্ত করে রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর দাবিসমূহ হস্তান্তর করেন।