মারধরের শিকার আইডিয়াল কলেজের আহত এক শিক্ষার্থী © টিডিসি ফটো
ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে মারধর প্রতিক্রিয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল গনি সাবু।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুপুর ১২টার পর সাইন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর আঘাতে আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণির ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের মাহিদুল ইসলাম সিহাব এবং বিজ্ঞান বিভাগের সামিউল হাসান আহত হয়েছেন। তারা দুজনেই প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
আহতদের মধ্যে সিহাবের বামহাতে গুরুতর জখম হয়েছে। পরে তাকে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ও হাতে ব্যান্ডেজ করে অভিভাবকের মাধ্যমে বাসায় পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা কলেজ ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ আইডিয়াল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে
মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহিদুল ইসলাম সিহাব বলেন, ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ করেই এ ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। আমি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। কারো সাথে কোন ধরনের মারামারিতে জড়িত নই। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পূর্ণ নিরাপত্তা চাই। এক কলেজের শিক্ষার্থীদের হাতে অন্য কলেজের শিক্ষার্থী আহত হোক তেমনটি চাই না।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল গনি সাবু বলেন, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের উত্তেজনাকে ঘিরে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সকাল থেকে মাঠে নিয়োজিত ছিলেন। তবুও এর ফাঁকেই দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, এতে আইডিয়াল কলেজের দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। আমরাও ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিষয়টি সতর্কতার সাথে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) ধানমন্ডির ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের সামনে ঢাকা কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিন (১৮) আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের হাতে মারধরের শিকার হন। উপর্যপরি মারধর ও আঘাতের ফলে ওই শিক্ষার্থী মাথায় ও মুখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়।