পরীক্ষার হল © সংগৃহীত
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এতে অংশগ্রহণ করেন প্রায় পৌনে চার লাখ চাকরিপ্রার্থী। এই বিসিএস থেকে পিএসসি ৩ হাজার ৪৮৭জন ক্যাডার নিয়োগ দেবে। সবশেষ ৬ বিসিএসের পর্যালোচনা অনুযায়ী ৪৭তম বিসিএসে ১২ থেকে ১৫হাজার প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতে পারেন- এমনটাই বলছেন বিসিএসকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা সাবেক ক্যাডাররা। যদিও ভিন্নমতও রয়েছে অনেকের; যাদের ভাষ্য, এই সংখ্যা ১৮ হাজার পর্যন্ত যেতে পারে।
তাদের ভাষ্য, গত কয়েক বিসিএসের তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, প্রতিটিতে প্রার্থীদের টেকানোর সংখ্যা দিনকে দিন কমছে। চলতি বিসিএসেও এর প্রতিফলন দেখা যাবে।
৪০তম থেকে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলির ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ৪০তম বিসিএসে ক্যাডার পদের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯০৩। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২০ হাজার ২৭৭ জন। পদের তুলনায় ১০ গুণের বেশি প্রার্থীকে টেকানো হয়। ৪১তম বিসিএসে ক্যাডার পদের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ১৩৫। প্রিলি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২১ হাজার ৫৬ জন। পদের তুলনায় প্রায় ১০গুণ প্রার্থী টেকানো হয়।
এদিকে ৪৩তম ও ৪৪তম বিসিএসে পদের তুলনায় ৯ গুণ প্রার্থীকে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। ৪৩তম বিসিএসে ১ হাজার ৮১৪ পদের বিপরীতে প্রিলিতে উত্তীর্ণ হন ১৫হাজার ২২৯ জন; ৪৪তম বিসিএসে ১ হাজার ৭১০ পদের বিপরীতে উত্তীর্ণ হন ১৫ হাজার ৭০৮ জন।
তবে ৪৫তম বিসিএসে বিগত বিসিএসগুলোর তুলনায় কম প্রার্থী টেকানো হয়। পদসংখ্যার তুলনায় সাড়ে ৫ গুণ প্রার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই বিসিএসে ক্যাডার পদের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩০৯; প্রিলিতে উত্তীর্ণ হন ১২ হাজার ৭৮৯ জন।
অন্যদিকে ৪৬তম বিসিএসে দুই ধাপে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। এতে মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১ হাজার ৩৯৭ জন। আগের ১০ হাজার ৬৩৮ জন প্রার্থীর সঙ্গে নতুন করে লিখিত পরীক্ষার সুযোগ পান ১০ হাজার ৭৫৯ জন প্রার্থী। এতে ক্যাডার পদের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ১৪০। দুই ধাপ মিলিয়ে পদসংখ্যার তুলনায় ৬ গুণের বেশি প্রার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
এ বিষয়ে ৩৬তম বিসিএস থেকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত শাকিল আল আমিন বলেন, ৩ হাজার ৪৮৭ পোস্টের জন্য ১৫ থেকে ১৮ হাজার প্রার্থী নিতে পারে পিএসসি। সেক্ষেত্রে কাট মার্কস আনুমানিক ৯৬-৯৯ হতে পারে।