ইউল্যাব ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, রিমান্ডে সাউথইস্টের ছাত্র

ইউল্যাব ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, রিমান্ডে সাউথইস্টের ছাত্র
  © সংগৃহীত

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটির আইন বিভাগের ছাত্র রাফিদ সাদমানের এক দিনের রিমান্ড দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) আদালতের সহকারী সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামল আহমেদ আসামিকে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মৃধা মো. রাশেদ সারোয়ার পলাশ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পরিচয়ের সুবাদে ভুক্তভোগী ও আসামির কথাবার্তা হয় এবং বিভিন্ন স্থানে তাদের দেখা হয়। গত বছরের ৩০ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগী আসামি সাদমানের সঙ্গে উত্তরায় এক বন্ধুর বাসায় দেখা করেন। কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে সাদমান ভুক্তভোগীকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাওয়ানোর পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। ভিকটিম অচেতন থাকা অবস্থায় সাদমান তাকে তার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে বিবস্ত্র করে মোবাইলে ভিডিও করেন। ভিকটিমের জ্ঞান ফিরলে আসামি ভিডিও দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখিয়ে রাতে বাসায় রেখে দেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগী আসামির বাসা থেকে বের হয়ে নিজের বাসায় চলে আসেন।

মামলার এজাহারে আরো বলা হয়, আসামি ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তার বাসায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। ৮ নভেম্বর আসামি ভুক্তভোগীকে তার বাসায় যেতে বলেন। ভুক্তভোগী বাসায় যেতে রাজি না হওয়ায় সাদমান ওই ভিডিও গুগল ড্রাইভের মাধ্যমে তাকে পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন এবং তার সঙ্গে দেখা না করলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন। ভুক্তভোগী বাধ্য হয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সাদমানের বাসায় গেলে তাকে ফের ধর্ষণ করা হয়। পরে নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী ঘটনা পরিবারকে জানায়।

ভুক্তভোগীর বাবা রবিবার (২৪ জানুয়ারি) ক্যান্টনমেন্ট থানায় পর্নোগ্রাফি আইন ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এ মামলার পরে মধ্যরাতে বনানীর ডিওএইচএসের বাসা থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ